দেশমাতৃকার টানে সাহসিকতার সঙ্গে চট্টগ্রামে প্রথম বিদ্রোহ করেছিলেন ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের একজন মেজর হিসেবে। জাতি যখন কোনো দিকনির্দেশনা পাচ্ছিল না, জাতি যখন হতাশাগ্রস্ত, তখন দায়িত্ব নিজ কাঁধে তুলে নিয়েছিলেন মেজর জিয়া।’
গতকাল চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়া উপজেলার পোমরায় সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের প্রথম সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন ও দোয়া শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে সমাজকল্যাণ মন্ত্রী এসব কথা বলেন।
এ সময় বিগত সরকারের সমালোচনা করে ডা. জাহিদ হোসেন বলেন, ‘ইতিহাস থেকে কেউ শিক্ষা নিতে চায় না। বিগত সময়ে ভুল ইতিহাস গেলানোর চেষ্টা করা হয়েছে। আমাদের বাচ্চাদের ও নতুন প্রজন্মকে ভুল ইতিহাস শেখানোর চেষ্টা করা হয়েছে।’
এর আগে সমাজকল্যাণ মন্ত্রী জিয়াউর রহমানের রাঙ্গুনিয়ার পোমরা জিয়ানগরের প্রথম সমাধিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে শ্রদ্ধা জানান এবং বিশেষ মোনাজাতে অংশ নেন। শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে সেখানে তিনি গাছের চারা রোপণ করেন।
পরে রাঙ্গুনিয়া এতিম ও দুস্থ শিশুদের বৃত্তিমূলক প্রশিক্ষণ কেন্দ্র পরিদর্শন করেন সমাজকল্যাণ মন্ত্রী। প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত ৪৮তম ব্যাচের প্রশিক্ষণার্থীদের মধ্যে পোশাক ও শিক্ষাসামগ্রী বিতরণ করেন তিনি।
এ সময় ডা. জাহিদ হোসেন বলেন, ‘প্রশিক্ষণ গ্রহণ করে যারা নিজেকে দুর্বল ভাবেন, তারা যাতে আর দুর্বল না ভাবেন, সেজন্য এখানে প্রশিক্ষণোত্তর বিভিন্ন পদক্ষেপ নেয়া হবে। শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের মতো বীরকে জাতি যাতে আজীবন শ্রদ্ধা জানাতে পারে, সম্মান জানাতে পারে, সে রকম একটি আবহ রাঙ্গুনিয়ার জিয়ানগরে করা হবে।’
চট্টগ্রাম বিভাগীয় সমাজসেবা কার্যালয়ের পরিচালক মোহাম্মদ শহীদুল ইসলামের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন চট্টগ্রাম-৮ আসনের সংসদ সদস্য মো. এরশাদ উল্লাহ, রাঙ্গুনিয়া আসনের সংসদ সদস্য হুমাম কাদের চৌধুরী, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. নাজমুল হাসান এবং এতিম ও দুস্থ শিশুদের বৃত্তিমূলক প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের উপতত্ত্বাবধায়ক মো. ছানাউল্লাহ। অনুষ্ঠানে উপজেলা বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরাও উপস্থিত ছিলেন।










