আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে প্রার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার দেয়া অস্ত্রের ব্যবস্থার বিষয়ে নির্বাচন কমিশনের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ জানিয়েছেন, নিরাপত্তার বিষয়টিকে গুরুত্ব দিয়েই হয়তো এমন নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। তবে এ বিষয়ে আগে থেকে কমিশনের সঙ্গে কোনো আনুষ্ঠানিক আলোচনা হয়নি।
আজ বুধবার (১৭ ডিসেম্বর) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে নিজ কার্যালয়ের সামনে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি।
অস্ত্রের ব্যবহার নির্বাচনী আচরণবিধির সঙ্গে সাংঘর্ষিক কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে ইসি সচিব জানান, আপাতত এ নির্দেশনার সঙ্গে নির্বাচনী আচরণবিধির কোনো সংঘাত দেখা যাচ্ছে না। তবে পরিস্থিতির প্রয়োজনে কমিশন যেকোনো সময় কঠোর অবস্থান নিতে পারে। সময়ের প্রয়োজনে যদি আচরণবিধিতে কোনো সংশোধন, সংযোজন বা পরিমার্জনের প্রয়োজন হয়, কমিশন তা অবশ্যই করবে।
নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে গিয়ে ভোটার বা অন্য প্রার্থীদের মধ্যে কোনো ভীতি তৈরি হবে কি না—এমন সংশয়ের জবাবে তিনি বলেন, নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সবারই কাম্য। আমরা চাইবো ভোটার ও প্রার্থী সবার নিরাপত্তাই যেন প্রাধান্য পায়।
নির্বাচনের আগে অস্ত্র নিয়ন্ত্রণ নিয়ে সচিব জানান, এটি একটি নিয়মিত ও ধারাবাহিক প্রক্রিয়া। বৈধ অস্ত্র জমা নেয়া বা অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার সাধারণত ভোট গ্রহণের একটি নির্দিষ্ট সময় আগে করা হয়। বিষয়টি যখন প্রাসঙ্গিক হবে, তখন কমিশন আইন অনুযায়ী যথাযথ ব্যবস্থা নেবে।
এক মাস পরের পরিস্থিতি নিয়ে আগাম মন্তব্য করে বিভ্রান্তি না ছড়ানোর আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, আমরা বর্তমানে যে পর্যায়ে আছি, সেটি নিয়ে কাজ করাই এখন আমাদের অগ্রাধিকার। নির্বাচনের সুষ্ঠু পরিবেশ নিশ্চিতে আমরা ধারাবাহিকভাবে সব পদক্ষেপ নিচ্ছি।















