বাংলাদেশকে উন্নত সমৃদ্ধ দেশ হিসেবে গড়ে তুলতে আওয়ামী লীগের কোনো বিকল্প নেই বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ও কৃষিমন্ত্রী ড. আব্দুর রাজ্জাক। তিনি বলেন, `প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বর্তমান সরকার গত ১৪ বছরে শিক্ষার মানোন্নয়ন, অবকাঠামো নির্মাণ,গবেষণায় উৎকর্ষ সাধনে বিশাল বিনিয়োগ করেছে। এ বিশাল বিনিয়োগ দেশকে কাঙ্ক্ষিত সময়ের আগেই উন্নত রাষ্ট্রে পরিণত করবে।'
আজ রোববার ( ৫ মার্চ) সকালে টাঙ্গাইলে মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের তৃতীয় সমাবর্তনে সভাপতির বক্তব্যে কৃষিমন্ত্রী এসব কথা বলেন। রাষ্ট্রপতি এবং মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের চ্যান্সেলর আবদুল হামিদের পক্ষে কৃষিমন্ত্রী ড. আব্দুর রাজ্জাক এমপি এ সমাবর্তনে সভাপতিত্ব করেন। অনুষ্ঠানে সমাবর্তন বক্তা ছিলেন সিআরপি বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠাতা ও সমন্বয়ক ভেলেরি অ্যান টেইলর। স্বাগত বক্তব্য রাখেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ফরহাদ হোসেন। অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও আমন্ত্রিত ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।
কৃষিমন্ত্রী বলেন, তরুণেরাই আমাদের দেশের বিরাট শক্তি ও প্রকৃত সম্পদ। এ তারুণ্যের শক্তিকে কাজে লাগাতে বর্তমান সরকারও নিরলস কাজ করে যাচ্ছে। এ বাস্তবতায়, প্রায়োগিক ও সময়োপযোগী শিক্ষার মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের দক্ষ করে গড়ে তুলতে হবে। দেশের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় সমূহের গ্রাজুয়েটদের নিজেদেরকে প্রস্তুত করতে হবে। শিক্ষকদেরও এ বিষয়ে আরো এগিয়ে আসতে হবে।
মন্ত্রী বলেন,নভেল করোনাভাইরাস ও রাশিয়া-ইউক্রেনের চলমান যুদ্ধ, অবরোধ-পাল্টা অবরোধের প্রভাবে বিশ্বব্যাপী কোটি কোটি মানুষের খাদ্য নিরাপত্তা চরম ঝুঁকির মধ্যে পড়েছে। বিশ্বব্যাপী ‘খাদ্য নিরাপত্তাহীনতা’ বেড়েছে। বেড়েছে ক্ষুধার্ত মানুষের সংখ্যা। কিন্তু প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বর্তমান সরকারের সময়োপযোগী পদক্ষেপ গ্রহণের ফলে বাংলাদেশের মানুষের খাদ্য ও পুষ্টি নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সম্ভব হয়েছে। বহুমুখী দুর্যোগের মধ্যেও বিশ্বে বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়নের রোল মডেল হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে। এর ফলে দেশের মানুষের খাদ্য ও পুষ্টি নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সম্ভব হয়।
বিশ্ববিদ্যালয়ের ৩য় সমাবর্তনে চ্যান্সেলর অ্যাওয়ার্ড পেয়েছেন দুইজন শিক্ষার্থী ও ভাইস চ্যান্সেলর পদক পাচ্ছেন ৩ জন শিক্ষার্থী। বিশ্ববিদ্যালয়ের ৪ হাজার ৪৩৩ জন বিএসসি (অনার্স), মাস্টার্সের শিক্ষার্থীকে ডিগ্রি দেয়া হয়। এর মধ্যে ২ হাজার ২৪৩ জন শিক্ষার্থী সনদ নেন।










