আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য ও সাবেক শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমু এমপি বলেছেন, ‘আগের ছাত্রলীগ আর এখনকার ছাত্রলীগের মধ্যে অনেক পার্থক্য। আমাদের সময় ছাত্রলীগকে মানুষ মর্যাদা দিত। আন্দোলন-সংগ্রামে ছাত্রলীগের ভূমিকা ছিল প্রশংসনীয়। ছাত্রলীগকে তাদের পুরনো জায়গায় ফিরে যেতে হবে। শেখ হাসিনার স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ার কারিগর হতে হবে ছাত্রলীগকে।’  গতকাল বিকালে ঝালকাঠির উন্মুক্ত শিশুপার্ক চত্বরে ছাত্রলীগের ৭৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

ছাত্রলীগ বাংলাদেশের ইতিহাস-ঐতিহ্যের সঙ্গে মিশে আছে জানিয়ে আওয়ামী লীগের এ বর্ষীয়ান নেতা বলেন, ‘জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নির্দেশনায় ১৯৪৮ সালের ৪ জানুয়ারি বাংলাদেশ ছাত্রলীগের জন্ম হয়। সংগঠনটির দীর্ঘ রাজনৈতিক পরিক্রমায় বায়ান্নের ভাষা আন্দোলন, চুয়ান্নর প্রাদেশিক পরিষদের নির্বাচনে যুক্তফ্রন্টের বিজয়, আটান্নের আইয়ুববিরোধী আন্দোলন, বাষট্টির শিক্ষা আন্দোলন, ছেষট্টির ছয় দফার পক্ষে গণঅংশগ্রহণের মাধ্যমে মুক্তির সনদ হিসেবে এ দাবিকে প্রতিষ্ঠা করে।’

জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি আব্দুল্লাহ আল মাসুদ মধুর সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক তরিকুল ইসলাম পারভেজের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি সরদার মো. শাহ আলম, সাধারণ সম্পাদক ও জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট খান সাইফুল্লাহ পনির। এছাড়া উপস্থিত ছিলেন জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকরা।