এসএমসি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্য কী ছিল? এর প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো, পরিচালনা পদ্ধতি কীভাবে গড়ে উঠেছিল? সেই শুরুর সময়কার গল্প যদি বলতেন।
এ গল্পের শুরু খুব ছোট পরিসরে। ১৯৭৫ সালে বাংলাদেশে হঠাৎ করে জনসংখ্যা বিস্ফোরণ হয়। সে সময় টোটাল ফার্টিলিটি রেট (টিএফআর) ছিল ৭-এর ওপরে। যেটা এক কথায় উদ্বেগজনক। এ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করতে ইউএসএআইডির অর্থায়নে একটি প্রকল্প চালু হয়। সেটির নাম ছিল ফ্যামিলি প্ল্যানিং সোশ্যাল মার্কেটিং প্রজেক্ট (এফপিএসএমপি)। প্রাথমিকভাবে কন্ট্রাসেপটিভ ডিস্ট্রিবিউশন অ্যান্ড অ্যাডাপশন দিয়ে যাত্রা শুরু হয়। তখন দুটি ফ্ল্যাগশিপ পণ্য ছিল—রাজা কনডম ও মায়া বড়ি। প্রতিষ্ঠানটির অন্তর্নিহিত লক্ষ্য ছিল জনমানুষের জীবনমানের সার্বিক উন্নয়ন। সেই দৃষ্টিকোণ থেকে সোশ্যাল মার্কেটিংয়ের মূলমন্ত্র বিহেভিয়ার চেঞ্জ। মানুষের মধ্যে পরিবর্তন আনার জন্য যে যোগাযোগের প্রয়োজন, অর্থাৎ বিসিসি (বিহেভিয়ার চেঞ্জ কমিউনিকেশন) সেটির ওপর ভর করেই কিন্তু সব কার্যক্রম শুরু। ৫০ বছর পর আজকে আমরা সেই জিনিসই কন্টিনিউ করে যাচ্ছি। আমাদের মূল চালিকাশক্তি হলো আমরা যা কিছুই করি না কেন সেটি যেন মানুষের জীবনের সার্বিক মান উন্নয়নে একটি প্রভাব ফেলে। এটিই আসলে এসএমসি ৫০ বছর আগে শুরু করেছিল, আজও তার ধারাবাহিকতা বজায় আছে।
আমরা যদি সময়টা বিবেচনায় নিই, ১৯৭৫ সালে পরিবার পরিকল্পনার বিষয়গুলো মুক্তভাবে আলোচনায় আসা। তখন সেগুলো অনেকটা সামাজিক ট্যাবু ছিল। সেটি ভাঙতে এসএমসিকে কী রকম অভিজ্ঞতার সম্মুখীন হতে হয়েছে?
এ ব্যাপারে আমার প্রত্যক্ষ অভিজ্ঞতা নেই। কিন্তু প্রতিষ্ঠানটিতে যারা দীর্ঘদিন ধরে কাজ করছেন তাদের কাছে যা শুনেছি সেখান থেকে শেয়ার করতে পারি। এমনও হয়েছে তাদের লোকজন তাড়া করেছে। দোকানে পণ্য নিয়ে গেলে কথা বলতে চায়নি বা দোকানে আসতে নিষেধ করে দিয়েছে। বর্তমানে সেই অবস্থার পরিবর্তন হয়েছে। এখন ফার্মেসিতে গেলে আমাদের পণ্যগুলো তা সে কন্ট্রাসেপটিভ বা কনডম কিংবা পিল যা-ই হোক সেগুলো দৃশ্যমান থাকে। সে সময় আমাদের যারা সহকর্মী ছিলেন তাদের মধ্যে অনেকে এখনো প্রতিষ্ঠানে কর্মরত আছেন। তাদের কাছে আমরা শুনেছি—তারা কাজের প্রতি নিবেদিত ছিলেন—যেভাবেই হোক জনমানুষের কল্যাণে এ পরিবর্তন আনতে, সমৃদ্ধ দেশ গড়তে। এ ঐকান্তিকতার ওপর ভর করে তারা সব সামাজিক প্রতিবন্ধকতা বা তাদের ব্যক্তিগত নিরাপত্তার ঝুঁকি নিয়ে কাজ করেছেন। যার ফল আজ আমরা দেখতে পাচ্ছি। টোটাল ফার্টিলিটি রেট (টিএফআর) ২-এর কাছাকাছি চলে এসেছে। টিএফআর ৭ থেকে ২-এ চলে আসা আসলে বড় একটি অর্জন। সংখ্যাটি আমাদের অর্জনের সূচক।
পরিবার পরিকল্পনার কর্মসূচি দিয়ে শুরু করলেন, এরপর এসএমসি বৃহত্তর জনস্বাস্থ্য উদ্যোগে রূপান্তরিত হয়েছে। এ রূপান্তরের ক্ষেত্রে কোন কোন বড় সিদ্ধান্ত বা অভিজ্ঞতা কাজ করেছে?
আগেই যেটি বলেছিলাম, আমাদের মূল লক্ষ্য হলো মানুষের সার্বিক জীবনমানের উন্নয়ন। আমরা ১৯৭৫ সালে জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ নিয়ে কাজ শুরু করেছিলাম। ১৯৮০-এর দশকের মাঝামাঝি এসে দেখেছি ডায়রিয়া বাংলাদেশে একটি মহামারীতে পরিণত হয়েছে। আমরা ডায়রিয়ায় মৃত্যুহার নিয়ন্ত্রণে আনতে উল্লেখযোগ্য অবদান রেখেছি। টিভিতে তখন প্রচার হতো একমুঠ গুড়, এক চিমটি লবণ, এক জগ পানিতে ঘুটা। এটি মেশানোর ক্ষেত্রে অনুপাত ঠিক রাখাটা একটা চ্যালেঞ্জ ছিল। আবার সব উপাদান হাতের কাছে পেতেও সমস্যা হতো। এ সমস্যা দূর করার জন্য এসএমসি, ডব্লিউএইচও এবং আইসিডিডিআর,বির যৌথ উদ্যোগে এখনকার যে ওরস্যালাইন আমরা দেখছি সেটি তৈরি করা হয়। এসএমসির সবচেয়ে বড় অর্জন এ পণ্যের ক্ষেত্রে জনসচেতনতা তৈরি ও সর্বত্র সহজলভ্য করা। এখন বাংলাদেশের আনাচে-কানাচে যেখানে যাবেন সেখানেই ওরস্যালাইন পাবেন। প্রথমে কন্ট্রাসেপটিভ, তারপর ওরাল স্যালাইন। এরপর মেন্সট্রুয়াল হাইজিন নিয়ে আমরা কাজ করছি। আমরা মানুষের জীবনের সার্বিক মান উন্নয়নে একটার পর একটা উদ্যোগ নিয়ে যাচ্ছি।
সামাজিক বিপণনে এসএমসির যে সাফল্য তা পুরো বিশ্বে একটি মডেল হিসেবে চিহ্নিত। এ মডেল টিকিয়ে রাখতে কোন কোন অপারেশনাল প্র্যাকটিস ও আচরণগত অন্তর্দৃষ্টি সবচেয়ে বেশি ভূমিকা রেখেছে বলে মনে করেন?
মডেল নিয়ে যদি বলি তাহলে বলব এসএমসির পণ্য নিয়ে আমরা তিনটি জিনিস গর্বের সঙ্গে দাবি করতে পারি। ১. এসএমসি পণ্যের গুণগত মানের ধারাবাহিকতা, ২. ন্যায্য দাম—ক্রয়ক্ষমতার সঙ্গে মানের সমন্বয় এবং ৩. পণ্যটি থেকে প্রয়োজনীয় মুনাফা অর্জন। এ তিনটির ব্যালান্স এসএমসি খুব সফলভাবে অর্জন করেছে। আমরা যে সামাজিক উন্নয়নমূলক কার্যক্রম করি সেটি মূলত আমাদের অর্জিত লাভ থেকেই পরিচালিত হয়। অন্য অর্গানাইজেশন, যারা এ ধরনের ডেভেলপমেন্ট ফিল্ডে কাজ করে, তারা অনেকেই বহুলাংশে এক্সটারনাল রিসোর্সের ওপর নির্ভরশীল। আমাদের পূর্বসূরিদের মূল লক্ষ্য ছিল একটি আত্মনির্ভরশীল অপারেশন গড়ে তোলা। সেখান থেকেই এসএমসি এন্টারপ্রাইজের জন্ম। ২০১৪ সাল থেকে এসএমসি এন্টারপ্রাইজ কাজ শুরু করে। আমরা জনকল্যাণমূলক যত কাজ করেছি, সেগুলোর জন্য যে রিসোর্স প্রয়োজন তা আমরা মোটামুটি ইন্টারনালি জেনারেট করি। এই যে ভার্চুয়াস সাইকেল, এটি আমাদের এসএমসির মূল চালিকাশক্তি।
মুনাফা, দাম ও পণ্যের মানের ভারসাম্য রক্ষার ক্ষেত্রে আপনারা কীভাবে সফল হলেন? ২০১৪ সালে আপনারা এসএমসি এন্টারপ্রাইজ চালু করলেন। এত বছর পর এটি প্রতিষ্ঠার প্রয়োজন মনে করলেন কেন?
আমাদের যে আয় তা আমরা মানুষের কল্যাণেই ব্যয় করি। এটি আমাদের মূল দর্শন। আমাদের প্রতিষ্ঠান ব্যক্তি বা গোষ্ঠী মালিকানাধীন নয়। আমাদের অর্জিত লভ্যাংশের বেশির ভাগ জনকল্যাণমূলক কাজে যায়, বাকিটা ব্যবসা পরিচালনায় ব্যয় হয়। এখানে ব্যক্তিগত মুনাফার কোনো সুযোগ নেই। আমরা মানুষের প্রয়োজনীয় পণ্য বিপণন করি। মানুষের চাহিদাটা কী সেটি আমাদের কাছে বেশি গুরুত্বপূর্ণ। সেই সঙ্গে পণ্যগুলো তাদের ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে রাখতে সর্বাত্মক চেষ্টা করি। এই দুটো করতে গিয়ে ইনোভেশনের প্রয়োজন হয়।
আমাদের বোর্ড লেভেলে দেশের প্রথিতযশা ব্যক্তিরা আছেন, যারা আমাদের নির্দেশনা দেন। তাদের দূরদর্শিতায় দাতাদের ওপর নির্ভরশীলতা কমাতে এসএমসি এন্টারপ্রাইজের যাত্রা শুরু। গত এক দশকে আত্মনির্ভরতার পথে আমরা অনেক দূর এগিয়েছি।
বাজারে ব্র্যান্ড হিসেবে এসএমসির এক ধরনের বিশ্বাসযোগ্যতা আছে। কোন ধরনের মান নিয়ন্ত্রণ, স্বাস্থ্যবিধি ও কমপ্লায়েন্স কাঠামো দিয়ে এটি গড়ে উঠল। কোনো উদাহরণ দিয়ে বিষয়টি বোঝানো যায় কিনা?
এসএমসি এমন একটি ব্র্যান্ড যাকে আপনারা বিশ্বাস করতে পারবেন। বিশ্বাস কেন করবেন, কারণ আপনি প্রতিবার এ প্রতিষ্ঠানের প্রডাক্ট ব্যবহার করলে একই মান পাবেন। এমন হবে না যে আজকে ভালো কালকে খারাপ, একদিন আছে তো পরের দিন পাচ্ছেন না। আমাদের ধারাবাহিক মানের পণ্য আপনি প্রতিনিয়ত পাবেন, দাম আপনার নাগালের মধ্যে থাকবে। এ ধারাবাহিকতা যদি বছরের পর বছর থাকে তখন একটা ব্র্যান্ড ভ্যালু তৈরি হয়। মানুষের মধ্যে বিশ্বাসযোগ্যতা আসে। আপনি তাকেই বিশ্বাস করেন যার কাছ থেকে একটি প্রেডিক্টেবল বিহেভিয়ার বা রেসপন্স পাবেন। এসএমসির পণ্যগুলোতে এ কারণেই ভোক্তারা আস্থা রাখেন। আর এ আস্থা গত ৫০ বছরে তৈরি হয়েছে। তাই এসএমসি কোনো পণ্য বাজারে দিলে মানুষ সেটি সাদরে গ্রহণ করে।
সেক্ষেত্রে নকল পণ্য একটি প্রতিবন্ধকতা। নকল বা নিম্নমানের পণ্যের বিরুদ্ধে এসএমসি এন্টারপ্রাইজ কী ধরনের ব্যবস্থা নেয়? এক্ষেত্রে কতটুকু বাস্তবসম্মত ফল পাচ্ছেন?
যখনই কোনো ব্র্যান্ড মার্কেটে দাঁড়িয়ে যায় সেটির নকল হওয়া স্বাভাবিক। একটি উদাহরণ দিই—বর্তমানে বাংলাদেশে নকল কনডমের ছড়াছড়ি। এ নকল কনডমের ব্যাপারে আমরা জনসচেতনতা তৈরির চেষ্টা করছি। এ নিয়ে প্রচুর কাজ করেছি। যার ফলে নকল কনডমের ব্যাপ্তিটা কমে এসেছে। আবার এসএমসি ওরস্যালাইন আমাদের একটি ফ্ল্যাগশিপ প্রডাক্ট। সেটিরও নকল বের হয়েছে। মানুষ যেন বিভ্রান্ত না হয়, সেজন্য আমরা গত বছর নতুন ডিজাইনে প্যাকেট লঞ্চ করেছি। আমাদের পদক্ষেপের একটি হলো সচেতনতা তৈরি, আরেকটি হলো পণ্যটিকে নতুনভাবে বাজারে আনা, যাতে আমরা ভোক্তাদের নকল পণ্য থেকে দূরে রাখতে পারি।
নকল পণ্য নিয়ে ভোক্তাদের থেকে কখনো বড় ধরনের অভিযোগ পেয়েছেন?
আসলে দেশের দুর্বল অবকাঠামো আমাদের প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা দিতে পারে না। যখনই কোনো অভিযোগ পাই, সে বিষয়ে আমরা আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী এবং রেগুলেটরি অথরিটির সহায়তায় যথাসম্ভব ব্যবস্থা নিয়ে থাকি।
এসএমসির বাণিজ্যিক কার্যক্রম থেকে অর্জিত মুনাফা সামাজিক স্বাস্থ্য কর্মসূচিতে পুনর্বিনিয়োগ করা হয়, এটি অনেকটা সামাজিক ব্যবসার মডেলের কাছাকাছি। আপনারা কার্যক্রমটি সামাজিক ব্যবসার মডেল হিসেবে দেখেন কিনা? আর এ কাঠামোতে এসএমসিকে কী ধরনের স্বাধীনতা বা প্রতিবন্ধকতার মুখোমুখি হতে হয়?
আমাদের নামের মধ্যেই উত্তর আছে। সোশ্যাল মার্কেটিং কোম্পানি। সামাজিক বিপণনই আমাদের মূলমন্ত্র। আমাদের কার্যক্রম তৃণমূল পর্যায়ে অনেক বেশি। আবার পেরি/সেমি আরবান ও রুরাল এরিয়ায়ও আমাদের কাজের ব্যাপ্তি অনেক গভীরে। কোম্পানি হিসেবে এসএমসি পুরাপুরি কমপ্লায়েন্ট। কমপ্লায়েন্সির কারণে যত ধরনের ভ্যাট-ট্যাক্স প্রযোজ্য আমরা তা সব দিই। এখানে আমরা প্রতিদ্বন্দ্বীদের সঙ্গে অসম প্রতিযোগিতার সম্মুখীন। তার পরও আমরা বাজারে ভালোভাবে টিকে আছি। যে ক্যাটাগরিগুলোতে আমরা অপারেট করি তার প্রতিটিতে শীর্ষ পাঁচের মধ্যে আমাদের একটি হলেও ব্র্যান্ড আছে। আমাদের পণ্যের মান, সহজলভ্যতা ও যথার্থ মূল্য—এসবের কারণেই সবাই আমাদের পণ্য বেছে নিচ্ছেন। আমাদের পণ্যকে আরো ভালো করার চেষ্টা করছি।
আপনারা ওষুধ খাতের বিভিন্ন পণ্য তৈরি করছেন। দেশে ৩০ হাজার কোটি টাকার বেশি যে ফার্মা মার্কেট আছে তার বেশির ভাগ শীর্ষ ১০টি প্রতিষ্ঠানের দখলে। আপনি বলছেন একটি অসম প্রতিযোগিতার মধ্য দিয়ে যেতে হয়, সেক্ষেত্রে এ খাতে আপনারা কীভাবে টিকে আছেন?
আমরা মূলত পাঁচটি খাতে ব্যবসা করি—এগুলো হলো কন্ট্রসেপটিভ, রিহাইড্রেশন (ওরস্যালাইন, এসএমসি প্লাস, ফ্রুটি), হাইজিন পোর্টফোলিও (যেমন স্যানিটারি ন্যাপকিন, ডায়াপার), তারপর আছে ফুড অ্যান্ড বেভারেজ, পঞ্চম ভার্টিকাল হলো ফার্মাসিউটিক্যাল। ফার্মাসিউটিক্যালকে একটি বড় ব্যবসায় রূপ দেয়ার জন্য কী করা যেতে পারে তা নিয়ে আমরা চিন্তাভাবনা করছি।
আপনার শিক্ষা, পেশাগত অভিজ্ঞতা বা নেতৃত্বের ধরন এসএমসি এন্টারপ্রাইজের আধুনিকায়ন, কৌশলগত সিদ্ধান্ত এবং অপারেশনাল দক্ষতায় কীভাবে প্রভাব ফেলছে? আপনি সেটিকে কীভাবে মূল্যায়ন করেন?
আমি এসএমসিতে জয়েন করেছি দুই বছর আগে। এর আগে আমি দেশে এবং দেশের বাইরে কাজ করেছি। আমার অভিজ্ঞতা মূলত বাণিজ্যিক পরিসরে। এসএমসির বিজনেস মডেল সেটা থেকে ভিন্ন। আমি এখন এই দুই বিজনেস মডেলের সিনার্জি তৈরির চেষ্টা করছি। এ চ্যালেঞ্জ আমার সার্বক্ষণিক অনুপ্রেরণা।
সামাজিক বিপণন খাত বা সামাজিক বিপণনের মাধ্যমে জনস্বাস্থ্য নিয়ে আপনাদের যে কাজ সেই জায়গার কোনো প্রতিবন্ধকতা নিয়ে নীতিনির্ধারক বা পাঠককে কিছু বলতে চান কি?
প্রথমত, এসএমসির পণ্য যখন ব্যবহার করছেন, আপনি জানবেন যে সঠিক মানের পণ্যটি পাচ্ছেন। দ্বিতীয়ত, আপনি দেশের প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর কল্যাণে অংশ নিচ্ছেন, কারণ এ পণ্যের লভ্যাংশ জনকল্যাণেই ব্যয় হয়। আপনারা এসএমসির পণ্য ব্যবহার করুন, সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়তে সহায়তা করুন, হয়ে উঠুন দেশের মানুষের জীবন মানের উন্নয়নে সক্রিয় অংশীদার।















