বিশ্বের প্রভাবশালী রাষ্ট্রনেতা, করপোরেট ধনকুবেরদের মুখোশ পরে বৈশ্বিক ও জাতীয় পর্যায়ের ক্রমবর্ধমান বৈষম্যের বিরুদ্ধে প্রতীকী প্রতিবাদ জানিয়েছেন বাংলাদেশের নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিরা।
গতকাল রোববার (২৫ জানুয়ারি) জাতীয় সংসদ ভবনের সামনে মানিক মিয়া অ্যাভিনিউতে গণতান্ত্রিক বাজেট আন্দোলনের (ডিবিএম) উদ্যোগে আয়োজিত ‘বৈষম্যবিরোধী মানব প্রাচীর’ কর্মসূচিতে এ প্রতিবাদ জানানো হয়।
অংশগ্রহণকারীরা মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প, টেসলা ও স্পেসএক্সের প্রধান নির্বাহী ইলন মাস্ক, জার্মানির সাবেক চ্যান্সেলর ওলাফ শোলৎস ও ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লিয়েনের প্রতিকৃতি ও মুখোশ পরেন। এর মাধ্যমে বিশ্ব অর্থনীতিতে ক্ষমতাধর দেশ ও করপোরেট শক্তির আধিপত্যকে তুলে ধরেন তারা।

বিশ্ব অর্থনীতিতে বড় দেশগুলোর সিদ্ধান্ত ও নীতির প্রভাব উন্নয়নশীল দেশগুলোয় কীভাবে বৈষম্য ও সংকট তৈরি করছে তা প্রতীকীভাবে উপস্থাপন করাই এ কর্মসূচির লক্ষ্য। আয়োজকরা জানান, বৈশ্বিক অর্থনৈতিক শাসন ব্যবস্থায় সাধারণ মানুষের কণ্ঠস্বর উপেক্ষিত থেকে যাচ্ছে। আর সে বাস্তবতার দিকেই নীতিনির্ধারকদের দৃষ্টি আকর্ষণ করাই ছিল মানব প্রাচীরের মূল উদ্দেশ্য।
ডিবিএমের সাধারণ সম্পাদক মনোয়ার মোস্তফা বলেন, বর্তমান বৈশ্বিক অর্থনৈতিক কাঠামোর অনিবার্য ফল হিসেবেই ভয়াবহ আয় ও সম্পদের বৈষম্য তৈরি হয়েছে। দরিদ্র দেশগুলো বৈদেশিক ঋণের চাপে নীতিনির্ধারণে স্বাধীনতা হারাচ্ছে। পরিবেশ ধ্বংসকারী প্রকল্পের কারণে জলবায়ু সংকট তীব্র হচ্ছে।

প্রতিবছরের মতো এ বছরও ১৯ থেকে ২৩ জানুয়ারি সুইজারল্যান্ডের ডাভোসে বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরামের বার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। এ সম্মেলন ঘিরে বিশ্বজুড়ে নাগরিক ও সামাজিক সংগঠনগুলো বৈষম্য, ন্যায্যতা ও অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়নের দাবিতে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করে। এরই ধারাবাহিকতায় দক্ষিণ এশিয়ার নাগরিক সমাজের অংশ হিসেবে কর্মসূচি করা হয়।










