খুলনা বিভাগে প্রতিদিনই বাড়ছে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা। চিকিৎসকরা বলছেন, বয়স্কদের শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যা বেশি থাকে। কৃত্রিমভাবে অক্সিজেন দিয়ে তাদের শ্বাস-প্রশ্বাস স্বাভাবিক রাখা জরুরি হয়ে পড়ে। সরকারি হাসপাতালে অতিরিক্ত রোগীর চাপে ভর্তির সুযোগ না থাকায় বাড়িতে রেখেই অনেক সময় তাদের অক্সিজেন দিতে বলা হয়।

এ কারণে অক্সিজেন সিলিন্ডারের চাহিদা বেড়েছে বলে জানিয়েছে অক্সিজেন সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানগুলো।

বার স্পেকট্রা অক্সিজেন লিমিটেডের খুলনার ডিপো ইনচার্জ সজীব রায়হান জানান, করোনাকালে খুলনায় অক্সিজেনের চাহিদা বেড়েছে। মে মাসের তুলনায় জুনে অক্সিজেনের চাহিদা দ্বিগুণ হয়েছে।

সজীব বলেন, আগে ১ দশমিক ৩৬ কিউবিক মিটারের ছোট সিলিন্ডার অক্সিজেনের প্রতিদিন চাহিদা ছিল ২০০টি। এখন বেড়ে ৪০০টি হয়েছে। আর ৬ দশমিক ৮ কিউবিক মিটারের বড় সিলিন্ডারের চাহিদা ছিল ২০০-২৫০টি। এখন সেগুলোর প্রয়োজন হচ্ছে ৪০০টি।

তিনি আরো বলেন, খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, সদর হাসপাতাল ও গোপালগঞ্জে লিকুইড ট্যাংক স্থাপন করা হয়েছে। সেখানে অক্সিজেন সিলিন্ডারের চাহিদা কমলেও বিভিন্ন বেসরকারি হাসপাতাল ও সাধারণ জনগণের কাছে অক্সিজেন সিলিন্ডারের চাহিদা বেড়েছে।

এদিকে তিন মাস ধরে চিঠি চালাচালির পর বৃহস্পতিবার প্রায় ৯৭ লাখ টাকা ব্যয়ে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের করোনা ইউনিটে লিকুইড অক্সিজেন প্লান্ট স্থাপনের কাজ সম্পন্ন করেছে খুলনা স্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর (এইচইডি)।

খুলনা মেডিকেল কলেজের উপাধ্যক্ষ ডা. মেহেদী নেওয়াজ বলেন, এতে হাসপাতালে ভর্তি রোগীরা কম খরচে অক্সিজেন সুবিধা পাবেন।