এ ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য খোরশেদের সঙ্গে থাকা তারিনকে হেফাজতে নিয়েছে পুলিশ।
নিহত খোরশেদ আলম শহরের ইসুলুর ঘোনা এলাকার বাসিন্দা শাহ আলমের ছেলে। তিনি ছাত্রদলের রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন। জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সময় বিভিন্ন আন্দোলনেও সক্রিয় ছিলেন তিনি।
পুলিশ জানায়, রাত সাড়ে ১০টার দিকে কবিতা চত্বর এলাকায় অবস্থান করছিলেন খোরশেদ ও তারিন। এ সময় দুষ্কৃতকারীরা খোরশেদ আলমকে ছুরিকাঘাত করে। এতে তিনি গুরুতর আহত হন। পরে তার বন্ধু শাহ আলম ও সহপাঠীরা কক্সবাজার সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
কক্সবাজার সদর মডেল থানার ওসি ছমি উদ্দিন জানান, ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে। প্রত্যক্ষদর্শী ও নিহতের ঘনিষ্ঠজনদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। নিহতের সঙ্গে থাকা এক নারীকে হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।
পুলিশ সুপার সাজেদুর রহমান জানান, এ ঘটনায় কাউকে ছাড় দেয়া হবে না। এরই মধ্যে ঘটনাস্থল থেকে কিছু আলামত জব্দ করা হয়েছে।
হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, তার পেট ও পায়ে ছুরিকাঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে। অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে তার মৃত্যু হয়েছে। মরদেহ সদর হাসপাতাল মর্গে রাখা হয়েছে।
এদিকে হত্যাকাণ্ডকে কেন্দ্র করে শহরে উত্তেজনা দেখা দিয়েছে। খবর পেয়ে হাসপাতালের সামনে ছাত্রদল, এনসিপি ও জুলাই যোদ্ধাসহ বিভিন্ন সংগঠনের নেতাকর্মীরা অবস্থান নেন। পরে রাত সাড়ে ১২টার দিকে খোরশেদ হত্যার বিচার দাবিতে বিক্ষোভ ও প্রতিবাদ সভা করেন ছাত্রদল, এনসিপি ও জুলাই যোদ্ধারা।
কক্সবাজার সরকারি কলেজ ছাত্রদলের আহ্বায়ক রিদুয়ানুল হক অভিযোগ করেন, পূর্ব পরিকল্পিতভাবে খোরশেদ আলমের ওপর হামলা চালানো হয়েছে। দ্রুত হত্যাকারীদের গ্রেফতারের দাবি জানান তিনি।










