রাত পোহালেই বৃহস্পতিবার ঈদ। উত্তরবঙ্গের প্রবেশদ্বার সিরাজগঞ্জের মহাসড়ক এখন অনেকটাই ফাঁকা হয়ে গেছে। বুধবার (১০ এপ্রিল) বঙ্গবন্ধু সেতু পশ্চিম মহাসড়কের বিভিন্ন স্থান ঘুরে এমন দৃশ্যই দেখা গেছে। মঙ্গলবার সিরাজগঞ্জ অংশে মহাসড়কে যানবাহনের চাপ থাকলেও কোন যানজট ছিল না।
মঙ্গলবার(৯এপ্রিল) বিকেলের পর থেকে যানবাহন কমতে থাকে মহাসড়কে। এর আগে মঙ্গলবার সকাল থেকে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে মঙ্গলবার সকাল থেকেই যানজটের সৃষ্টি হয়ে ভোগান্তিতে পড়ে যাত্রী ও চালকরা। উত্তরবঙ্গগামী গাড়ির চাপ ও যানজট কমাতে এবং উত্তর বঙ্গগামী যানচলাচল স্বাভাবিক রাখতে মঙ্গলবার সকালে বঙ্গবন্ধু সেতুর ঢাকাগামী লেন ও পশ্চিম পাড়ের টোল গ্রহণ বন্ধ করা হয়েছিল । এরপর আবারও দুপুর পৌনে ১টায় বন্ধ করে দেয়া হয় ঢাকাগামী লেন। এই ভাবে ঢাকাগামী লেন ও টোল গ্রহণ দুই ঘণ্টা করে বন্ধ রেখে চার লেন দিয়েই সেতুর পূর্বপাড় থেকে গাড়িগুলোকে সেতু দিয়ে পার করে আনা হয় পশ্চিম মহাসড়কে।
সিরাজগঞ্জ ট্রাফিক পুলিশের পরিদর্শক (প্রশাসন) মো. জাফর উল্লাহ রুবেল বলেন, ‘মহাসড়কে যানবাহন তেমন নেই বললেই চলে। মাঝে মাঝে স্বল্প সংখ্যক গাড়ি চলাচল করছে। বাকি সময় মহাসড়ক প্রায় ফাঁকাই থাকছে। এবারে সিরাজগঞ্জ অংশে মহাসড়কে কোনো যানজট না থাকায় ভোগান্তি ছাড়াই নির্বিঘ্নে গন্তব্যে পৌঁছে গেছেন মানুষ। ’
হাটিকুমরুল হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা এম.এ ওয়াদুদ বলেন, ‘হাটিকুমরুল গোলচত্বর এলাকায় গাড়ির চাপ কমতে শুরু করেছে। মঙ্গলবার(৯ এপ্রিল) সন্ধ্যার পর থেকেই যানবাহনের চাপ কমে মহাসড়ক অনেকটা ফাঁকা হয়ে গেছে। ’










