বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গাদের নিরাপদ, মর্যাদাপূর্ণ ও স্বেচ্ছা প্রত্যাবাসনের জন্য আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে প্রচেষ্টা আরো জোরদারের আহ্বান জানান তিনি।

তুরস্কে চলমান আন্তালিয়া ডিপ্লোম্যাসি ফোরাম ২০২৬-এ ‘গ্লোবাল রিফিউজি প্রোটেকশন সিস্টেম ইন দ্য ফেস অব ডিসপ্লেসমেন্ট ক্রাইসিস’ শীর্ষক অধিবেশনে শুক্রবার আলোচক হিসেবে বক্তব্য দেয়ার সময় তিনি এ মন্তব্য করেন।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, রোহিঙ্গা প্রত্যাবর্তনে রাখাইনে অনুকূল পরিবেশ তৈরিতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে মানবিক সহায়তার গণ্ডি পেরিয়ে আরো সক্রিয় ও ফলপ্রসূ ভূমিকা রাখতে হবে।

এছাড়া আন্তর্জাতিক দাতা দেশগুলোর সহায়তা কমে যাওয়ার বিষয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেন তিনি। পাশাপাশি তহবিলের জোগান বাড়ানো, রাখাইনের স্থিতিশীলতা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং মানবাধিকার রক্ষায় জরুরি পদক্ষেপ নেয়ার আহ্বান জানান।

ড. রহমান আরো জানান, দায়িত্ব গ্রহণের পর মিয়ানমার সরকার ও আরাকান আর্মি, উভয় পক্ষই তাকে স্বাগত জানিয়েছে।

তিনি বলেন, রোহিঙ্গা সংকট সমাধানযোগ্য। তবে এর জন্য প্রয়োজন সমন্বিত বৈশ্বিক উদ্যোগ ও টেকসই আন্তর্জাতিক সহযোগিতা।

এদিকে, চলমান উপসাগরীয় সংঘাত ঘিরে সর্বশেষ পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা করেছে বাংলাদেশ ও পাকিস্তান।

তুরস্কে অনুষ্ঠিত এক দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে এ বিষয়ে কথা হয়। সেখানে সংঘাতের শান্তিপূর্ণ সমাধানে পাকিস্তানের কূটনৈতিক প্রচেষ্টার প্রশংসা করেছে ঢাকা।

শুক্রবার আন্তালিয়া ডিপ্লোম্যাসি ফোরামের সাইডলাইনে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান এবং পাকিস্তানের উপপ্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইসহাক দার এ বিষয়ে আলোচনা করেন বলে গতকাল পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।

আলোচনায় বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আলোচনার মাধ্যমে সংঘাতের সমাধান খুঁজে বের করতে পাকিস্তানের প্রশংসনীয় কূটনৈতিক উদ্যোগের জন্য ধন্যবাদ জানান।

দুই দেশের মধ্যে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক আরো জোরদারের উপায় নিয়েও বৈঠকে আলোচনা হয়। প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির এ সময় উপস্থিত ছিলেন।