ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অপরাধ বিজ্ঞান বিভাগের ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী জোবায়ের ইবনে হুমায়ূনকে মারধরের ঘটনায় অভিযুক্ত ‘প্রলয়’ গ্যাংয়ের দুই সদস্য সাকিব ফেরদৌস ও নাইমুর রহমান দুর্জয়কে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট কোর্ট (সিএমএম)। আজ সোমবার (২৭ মার্চ) দুপুরে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মাহবুব আহাম্মদ তাদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। শাহবাগ থানার ওসি নুর মোহাম্মদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
আটক দুই শিক্ষার্থী হলেন জিয়া হলের শিক্ষার্থী ফয়সাল আহমেদ সাকিব ও জসীমউদ্দীন হলের শিক্ষার্থী নৃ বিজ্ঞান বিভাগের নাঈমুর রহমান দূর্জয়। গতকাল রোববার রাতে অভিযুক্ত দুই শিক্ষার্থী সাকিব ও দূর্জয়কে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করে শাহবাগ থানা পুলিশ।
এর আগে গত শনিবার (২৫ মার্চ) রাত সাড়ে সাতটায় বিশ্ববিদ্যালয়ের কবি জসীম উদ্দিন হলের সামনে জোবায়েরকে বেদম মারধর করেন ‘প্রলয়’ গ্যাংয়ের ২০/৩০ জনের অধিক সদস্যদের একটি দল। মারধরকারী শিক্ষার্থীরা একই ব্যাচের ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী। এ ঘটনায় গতকাল শাহবাগ থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর মা সাদিয়া আফরোজ খান। লিখিত এ অভিযোগে জোবায়েরের মা বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৯ শিক্ষার্থীর নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত আরো ৬-৭ জনের নাম উল্লেখ করেন।
মামলার অভিযোগে বলা হয়, তার ছেলে জোবায়েরকে হত্যার উদ্দেশে স্ট্যাম্প, রড, বেল্ট ও লাঠি দিয়ে এলোপাতাড়ি মারধর করেন অভিযুক্তরা। এতে তার ছেলের মাথা ও চোখে গুরুতর জখমসহ ডান পায়ের লিগামেন্ট ছিঁড়ে যায়। মারধরের সময় জোবায়েরের বন্ধুরা তাকে রক্ষা করতে গেলে তাদেরও এলোপাতাড়ি পেটায় অভিযুক্ত ব্যক্তিরা। এসময় তাদের প্রাণনাশের হুমকিসহ ভয়ভীতি দেখানো হয়। এ ঘটনায় মারধরে জোবায়ের চেতনা হারিয়ে ফেললে অভিযুক্তরা ঘটনাস্থল ত্যাগ করে চলে যান। পরে জোবায়েরকে তার বন্ধুরা ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতাল নিয়ে চিকিৎসার ব্যবস্থা করেন।










