নিয়োগপ্রাপ্ত সবাই বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে জড়িত এবং একাধিক নেতা জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে পরাজিত হয়েছেন।

স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের স্থানীয় সরকার বিভাগ (সিটি করপোরেশন-১ শাখা) থেকে গতকাল নতুন প্রশাসকদের নিয়োগের প্রজ্ঞাপন জারি হয়। এতে বলা হয়, স্থানীয় সরকার অধ্যাদেশ-২০২৪ (সংশোধন)-এর ২৫ক-এর উপধারা (১) অনুযায়ী করপোরেশন গঠিত না হওয়া পর্যন্ত অথবা পরবর্তী আদেশ না দেয়া পর্যন্ত নিয়োগপ্রাপ্তরা পূর্ণকালীন প্রশাসক হিসেবে নিয়োগপ্রাপ্ত হয়েছেন।

প্রজ্ঞাপনে আরো উল্লেখ করা হয়েছে, নিয়োগ পাওয়া প্রশাসকরা সিটি করপোরেশনের মেয়রের ক্ষমতা প্রয়োগ ও দায়িত্ব পালন করবেন। জনস্বার্থে এ আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে।

ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে (ডিএনসিসি) নতুন প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন মো. শফিকুল ইসলাম খান। ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে তিনি ঢাকা-১৫ আসনে বিএনপির প্রার্থী ছিলেন। তবে জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমানের কাছে পরাজিত হন। শফিকুল ইসলাম খান যুবদলের কেন্দ্রীয় কমিটির সহসভাপতি।

ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) নতুন প্রশাসক হয়েছেন আবদুস সালাম। বিএনপির জ্যেষ্ঠ এ নেতা একসময় অবিভক্ত ঢাকা সিটি করপোরেশনের ডেপুটি মেয়র ছিলেন।

গাজীপুর সিটি করপোরেশনের নতুন প্রশাসক হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন শওকত হোসেন সরকার। তিনি গাজীপুর মহানগর বিএনপির সভাপতি।

নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের নতুন প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন সাখাওয়াত হোসেন খান।

সিলেট সিটি করপোরেশনের নতুন প্রশাসক করা হয়েছে জেলা বিএনপির সভাপতি আবদুল কাইয়ুম চৌধুরীকে। ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক দপ্তর সম্পাদক আবদুল কাইয়ুম চৌধুরী যুবদলের কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক ও সহসভাপতি হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন।

খুলনা সিটি করপোরেশনের নতুন প্রশাসক পদে নিয়োগ পেয়েছেন নজরুল ইসলাম মঞ্জু। বিএনপির কেন্দ্রীয় এ সাংগঠনিক সম্পাদক এবারের সংসদ নির্বাচনে খুলনা-২ (সদর-সোনাডাঙ্গা) আসনে ধানের শীষের প্রার্থী ছিলেন। তবে জামায়াতে ইসলামীর খুলনা মহানগর শাখার সাধারণ সম্পাদক শেখ জাহাঙ্গীর হোসেন হেলালের কাছে তিনি হেরে যান। ২০১৮ সালে খুলনা সিটি করপোরেশন নির্বাচনে বিএনপি মনোনীত মেয়র প্রার্থী ছিলেন মঞ্জু। ওই নির্বাচনেও তিনি হেরে যান।