গ্রেফতারকৃতরা হলেন মো. রাশেদ ওরফে লোপন ও মো. জাহাঙ্গীর হোসেন ওরফে কাল্লু।

গতকাল সকালে রাজধানীর মিরপুর-১ পাইকপাড়ায় র‌্যাব-৪ ব্যাটালিয়ন সদর দপ্তরে এ বিষয়ে সংবাদ সম্মেলন করা হয়। র‌্যাব-৪-এর মিডিয়া সেল থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে। 

এতে বলা হয়, ১৭ নভেম্বর সন্ধ্যায় পল্লবী থানাধীন মিরপুর-১২ ব্লক-বিতে বিক্রমপুর স্যানিটারি অ্যান্ড হার্ডওয়্যার দোকানে ঢুকে অজ্ঞাত সন্ত্রাসীরা পিস্তল দিয়ে বুকে ও পিঠে গুলি করে যুবদল নেতা গোলাম কিবরিয়াকে (৫০) হত্যা করে।

ঘটনার পর সন্ত্রাসীরা পালানোর সময় স্থানীয় জনতার ওপর গুলি চালালে এক রিকশাচালক গুরুতর আহত হন। ঘটনার পর ভিকটিমের পরিবার পল্লবী থানায় হত্যা মামলা করে। 

গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বৃহস্পতিবার রাতে রাজধানীর রূপনগর থানার ইস্টার্ন হাউজিং এলাকা থেকে রাশেদ ওরফে লোপন এবং উত্তরা ১৮ নম্বর সেক্টরের দিয়াবাড়ি এলাকা থেকে মো. জাহাঙ্গীর হোসেন ওরফে কাল্লুকে গ্রেফতার করা হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে আরো বলা হয়, গ্রেফতার লোপনের দেয়া তথ্যমতে, তার বাসা থেকে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত একটি বিদেশী রিভলবার ও তিন রাউন্ড তাজা গুলি উদ্ধার করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেফতারকৃতরা জানিয়েছে, রাজনৈতিক কোন্দল ও এলাকায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে এ হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়। 

র‌্যাব জানায়, এটি একটি সুপরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড এবং এতে বড় অংকের অর্থের লেনদেন হয়েছে। গ্রেফতার দুজনই পেশাদার শুটার। তাদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় হত্যা, চাঁদাবাজি ও মাদকসহ একাধিক মামলা রয়েছে।

এর আগে ২০২৫ সালের ১৮ নভেম্বর এ মামলার এজাহারভুক্ত আসামি মনির হোসেন ওরফে সোহেল ওরফে পাতা সোহেল (৩০) এবং সন্ত্রাসী সুজন ওরফে বুকপোড়া সুজনকে গ্রেফতার করে র‌্যাব-৪।

আসামিদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।