নগরায়ণ ও ব্যবসায়িক কেন্দ্র হিসেবে জয়পুরহাট শহরের গুরুত্ব বেড়ে গেলে ১৯৭৫ সালে পৌরসভা হিসেবে প্রতিষ্ঠা লাভ করে। এরপর পর্যায়ক্রমে তৃতীয় ও দ্বিতীয় শ্রেণী থেকে ১৯৯১ সালে প্রথম শ্রেণীর পৌরসভা হিসেবে স্বীকৃতি লাভ করে। তবে স্বীকৃতির ৩২ বছর পার হলেও পৌরবাসীর সড়ক বাতির চাহিদা পূরণ করতে পারেনি পৌরসভা কর্তৃপক্ষ। পৌরসভার বাসিন্দারা জানান, ২০ দশমিক ৭২ বর্গ কিলোমিটার আয়তনের এ পৌরসভায় প্রয়োজনের তুলনায় পর্যাপ্ত বৈদ্যুতিক বাতি নেই। কিছু কিছু সড়কে একেবারেই নেই। আর যেসব সড়কে বাতি আছে, তার আলো একেবারেই কম। এসব এলাকার মধ্যে হাসপাতাল মোড়, সিভিল অফিস ও কোর্ট এলাকাসহ গুরুত্বপূর্ণ স্থানে সন্ধ্যা হলেই অন্ধকার থাকে।

সরজমিন দেখা গেছে, সরকারি অফিসগুলোর সামনে থাকা সড়ক বাতির বেশির ভাগ নষ্ট হয়ে গেছে। জয়পুরহাট জেনারেল হাসপাতালের প্রধান ফটক থেকে সিভিল সার্জনের অফিসসংলগ্ন রাস্তায় সড়কবাতি নেই। যদিও রাতে জয়পুরহাট সদর হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসা রোগীদের আত্মীয়-স্বজনের আনাগোনা থাকে এ সড়কে। এছাড়া পৌরসভার ম্যাজিস্ট্রেট কলোনি থেকে নতুনহাট সংযোগ সড়কটিতে বাতি থাকলেও তা পর্যাপ্ত নয়। শহরের আবাসিক এলাকা চিত্রাপাড়া ও দেওয়ানপাড়ার সড়কগুলোর বাতির আলো ক্ষীণ। এছাড়া প্রফেসরপাড়া, সাহেবপাড়া, জানিয়ার বাগান সবুজ নগর, ধানমন্ডি শাপলানগর, আরাফাত নগর, বাসস্ট্যান্ড এলাকা, বিশ্বাসপাড়া, আরামনগর মাস্টারপাড়ার বিসি রোডে অনেক বাতি নষ্ট রয়েছে। যেসব বাতি সচল রয়েছে, সেগুলোয় পর্যাপ্ত আলো নেই।

এ ব্যাপারে পৌরসভার উপসহকারী প্রকৌশলী মোহাম্মদ মিজানুর রহমান বণিক বার্তাকে বলেন, ‘আমাদের আট হাজারের বেশি লাইট ও ১১৫ কিলোমিটার লাইন রয়েছে। কিছু বাতি নষ্ট থাকতে পারে। আমরা ওয়ার্ডে ওয়ার্ডে তদন্ত করে নষ্ট বাতিগুলো মেরামত করছি।’