চাঁদপুর সরকারি জেনারেল হাসপাতালে আরটি-পিসিআর ল্যাব না থাকায় কভিডের উপসর্গ নিয়ে আসা রোগীদের পরীক্ষার জন্য পাঠানো হচ্ছে কুমিল্লায়। এতে করোনা পরীক্ষা করাতে গিয়ে ভোগান্তির শিকার হচ্ছে জেলাবাসী, ব্যয় হচ্ছে অতিরিক্ত অর্থ ও মূল্যবান সময়।
জানা যায়, চাঁদপুরে করোনা আক্রান্ত রোগী বাড়ায় ২০২০ সালে ভাষাবীর এমএ ওয়াদুদ মেমোরিয়াল ট্রাস্ট ও চাঁদপুর মেডিকেল কলেজের যৌথ উদ্যোগে আরটি-পিসিআর ল্যাব চালু করা হয়। তখন ল্যাবটি চাঁদপুর সরকারি জেনারেল হাসপাতাল কিংবা সিভিল সার্জন কার্যালয়ে না করে ভাষাবীর এমএ ওয়াদুদ মেমোরিয়াল ট্রাস্ট অর্থাৎ সাবেক মন্ত্রী ডা. দীপু বাসভবনে স্থাপন করা হয়।
গত বছরের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার আন্দোলনে সরকার পতনের পর শহরের নতুনবাজার কদমতলা এলাকায় ডা. দীপু মনির বাসায় ভাংচুর, লুটপাট ও অগ্নিসংযোগ করা হয়। এতে করোনা পরীক্ষার আরটি-পিসিআর ল্যাবের মেশিন ও সরঞ্জামেও লুটপাট এবং অগ্নিসংযোগ করা হয়। যে কারণে এখন আর ল্যাবের কোনো অস্তিত্ব নেই। এখন নতুন করে করোনা সংক্রমণ বাড়ায় উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা বেড়েছে জেলাবাসীর।
চাঁদপুর সরকারি জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসা ইসমাইল বলেন, ‘হঠাৎ করে আবার করোনা দেখা দিয়েছে। হাসপাতালে করোনা পরীক্ষা করার কোনো ল্যাব নেই। এখন কুমিল্লায় গিয়ে পরীক্ষা করাতে হয়। দ্রুত চাঁদপুরে করোনা পরীক্ষার আরটি-পিসিআর ল্যাব স্থাপন করার দাবি জানাই।’
চাঁদপুর সরকারি জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. একেএম মাহবুবুর রহমান বলেন, ‘সাবেক মন্ত্রী দীপু মনি নিজ বাসায় একটি ল্যাব করেছিলেন। কিন্তু ৫ আগস্টের পর সেটি মিসিং। এখন চাঁদপুরে করোনা পরীক্ষা করার কোনো ল্যাব নেই। কেউ এলে তাদের কুমিল্লায় পাঠানো হচ্ছে। তবে নতুন করে চাঁদপুরে করোনায় আক্রান্ত হওয়ার খবর পাওয়া যায়নি।’










