স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী মো. তাজুল ইসলাম বলেছেন, ‘কারো একার পক্ষে মশা নিধন সম্ভব নয়। মশা নিধনে সবচেয়ে কার্যকর পন্থা হচ্ছে প্রজননস্থল ধ্বংস করা, যাতে মশার বংশবৃদ্ধি না হয়। জনপ্রতিনিধি ও জনগণের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় এ কাজ করতে হবে।’ 

রাজধানীর উত্তরায় গতকাল ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) ‘মশক নিধন ও পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম’ পরিদর্শনকালে এ কথা বলেন তিনি। এ সময় মন্ত্রীর সঙ্গে ডিএনসিসি মেয়র মো. আতিকুল ইসলাম ও বিভিন্ন ওয়ার্ডের কাউন্সিলররা উপস্থিত ছিলেন। 

এলজিআরডিমন্ত্রী মো. তাজুল ইসলাম বলেন, ‘বিভিন্ন ধরনের মশা যেমন কিউলেক্স, অ্যানোফিলিস ও এডিসের প্রজননস্থল ভিন্ন হওয়ায় আমাদের সেদিকে লক্ষ রেখে পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম চালাতে হবে। অ্যানোফিলিস মশা ম্যালেরিয়া রোগ, কিউলেক্স মশা ফাইলেরিয়া এবং এডিস মশা ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়া রোগের জন্য দায়ী। মশাবাহিত রোগ প্রতিরোধে প্রজননস্থল ধ্বংস করাই সর্বোত্তম পন্থা। 

তিনি বলেন, ‘ঢাকা শহরের বিভিন্ন খালে বাসাবাড়ির স্যুয়ারেজ বর্জ্যের কারণে পানি দূষিত হচ্ছে এবং কচুরিপানার ফলে প্রচুর মশা জন্ম নিচ্ছে। এসব সমস্যা সমাধানের জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে ঢাকাকে পাঁচটি ক্যাচমেন্ট এরিয়ায় ভাগ করে বর্জ্য নিষ্পত্তি করার জন্য স্যুয়ারেজ ট্রিটমেন্ট প্লান্ট স্থাপন করা হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী এরই মধ্যে দাসেরকান্দিতে একটি প্লান্ট উদ্বোধন করেছেন। উত্তরায়ও একটি প্রকল্প বাস্তবায়ন হচ্ছে।