মেহেরপুরে গৃহবধূ জরিনা খাতুন হত্যা মামলায় স্বামী সাইদুল ইসলাম ও সতিন জমেলা খাতুনকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। গতকাল দুপুরে জেলা দায়রা জজ আদালতের বিচারক রিপতি কুমার বিশ্বাস এ দণ্ডাদেশ দেন। তবে আসামিরা পলাতক।
মামলার বিবরণ থেকে জানা যায়, ২০১০ সালের ৩১ জানুয়ারি শহরের গোরস্তানপাড়ার দ্বিতীয় স্ত্রী জরিনা খাতুনকে সদর উপজেলার যাদবপুর গ্রামে প্রথম স্ত্রী জমেলা খাতুনের বাড়িতে ডেকে নিয়ে যান স্বামী সাইদুল ইসলাম। পরে রাত থেকে নিখোঁজ হন জরিনা খাতুন। ৬ ফেব্রুয়ারি বিকালে ওই গ্রামের মসুরি ক্ষেত থেকে মাটিতে পোঁতা অবস্থায় তার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। পরে জানা যায়, তাকে জবাই করার পর মাটিতে পুঁতে রাখা হয়েছে। এ ঘটনায় ওইদিন দিন রাতে নিহতের বোন ফেরদৌসি খাতুন বাদী হয়ে স্বামী সাইদুল ইসলামসহ অজ্ঞাতনামাদের আসামি করে সদর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। ৬ মে স্বামী ও তার প্রথম স্ত্রী জমেলা খাতুনকে আসামি করে আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন তত্কালীন থানার এসআই হাসান ইমাম। ১৮ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে গতকাল দুপুরে স্বামী ও প্রথম স্ত্রীকে মৃত্যুদণ্ডাদেশ দেন আদালত।










