কুষ্টিয়ায় ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ফুলপরী খাতুনকে নির্যাতনে অভিযুক্ত পাঁচ শিক্ষার্থীকে সাময়িক বহিষ্কার করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। আজ শনিবার (৪ মার্চ) বিশ্ববিদ্যালয়ের শৃঙ্খলা কমিটির সভায় এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।
সাময়িক বহিষ্কৃত হওয়া ৫ শিক্ষার্থী হলেন পরিসংখ্যান বিভাগের শিক্ষার্থী সানজিদা চৌধুরী, ফিন্যান্স অ্যান্ড ব্যাংকিং বিভাগের ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের তাবাসসুম ইসলাম ও মাওয়াবিয়া জাহান, আইন বিভাগের ইসরাত জাহান মীম ও চারুকলা বিভাগের শিক্ষার্থী হালিমা খাতুন উর্মী। একইসঙ্গে তাদের কেন স্থায়ী বহিষ্কার করা হবে না তা জানতে চেয়ে কারণ দর্শানোর নোটিস দেয়ার সিদ্ধান্ত হয়। আগামী সাত কর্মদিবসের মধ্যে তাদের নোটিসের জবাব দিতে হবে।
প্রসঙ্গত, গত ১২ ফেব্রুয়ারি রাতে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের দেশরত্ন শেখ হাসিনা হলের ভুক্তভোগী নবাগত ওই শিক্ষার্থী ছাত্রলীগ নেত্রীদের নির্যাতনের শিকার হন। নির্যাতনের সময় তাকে বিবস্ত্র করে ভিডিও ধারণ, গালিগালাজ ও ঘটনা কাউকে জানালে মেরে ফেলার হুমকি দেয়া হয়। পরে এ বিষয়ে ফুলপরী বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর, হলের প্রাধ্যক্ষ ও ছাত্র উপদেষ্টার কাছে লিখিত অভিযোগ দেন। অভিযুক্ত সানজিদা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি এবং অন্যান্য অভিযুক্তরা সংগঠনটির কর্মী ছিলেন। ঘটনার পর তাদের পাঁচজনকেই বহিষ্কার করেছে ছাত্রলীগ।
ঘটনাটি নিয়ে দুটি তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের পর কয়েক দফা নির্দেশসহ আদেশ দেন হাইকোর্ট। এর মধ্যে অভিযুক্ত পাঁচ ছাত্রীকে সব ধরনের শিক্ষা কার্যক্রম থেকে সাময়িকভাবে বহিষ্কার করার বিষয়টিও ছিল। একই সঙ্গে হাইকোর্টের নির্দেশনা মেনে দেশরত্ন শেখ হাসিনা হলের প্রভোস্ট শামসুল আলমকেও প্রত্যাহার করে নেয়া হয়েছে।
এদিকে আবাসিক হল পরিবর্তনের আবেদন করেছেন ফুলপরী খাতুন। এরই মধ্যে বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব হলের প্রভোস্ট মিয়া মোহাম্মদ রাশিদুজ্জমান তার আবেদন গ্রহণ করেছেন।










