ঢাকা-খুলনা মহাসড়কের মধুমতি নদীতে নির্মিত গড়াই সেতুর টোল আদায়ের অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় প্রভাবশালীদের বিরুদ্ধে। সেতুর কাছে গড়িয়াদহ ভায়া বালিয়াকান্দি সড়কের প্রবেশমুখে টিনের একটি ঘর তৈরি করে টোল আদায় করা হচ্ছে। ফরিদপুরের মধুখালী উপজেলার কামারখালীর ওই সেতুর মূল টোলঘরের বাইরে আরেকটি ঘর বসিয়ে অর্থ আদায় করায় প্রতিদিন বিপুল পরিমাণ রাজস্ব হারাচ্ছে সরকার। ওই টোলের অর্থ যাচ্ছে প্রভাবশালীদের পকেটে। যদিও সড়ক ও জনপথ বিভাগের স্থানীয় কর্মকর্তাদের দাবি, সম্প্রতি খবর পাওয়ার পর ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে বিষয়টি জানানো হয়েছে।

গড়াই সেতুর মূল টোলঘরের দায়িত্বে থাকা ফরিদপুর সড়ক ও জনপথ বিভাগের উপসহকারী প্রকৌশলী মো. শরিফ হোসেন বলেন, ‘সেতুর টোল একমাত্র আমরাই নিতে পারব। অন্য কেউ এখান থেকে টোল আদায় করতে পারবে না। প্রভাশালীরা গরিয়াদহ মোড় থেকে টোল নিচ্ছে। এর সঙ্গে স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যানও জড়িত আছেন।’ 

আড়পাড়া ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মো. বদরুজ্জামান বাবুর কার্যালয়ে গেলে তিনি বলেন, ‘মানবিক দিক বিবেচনা করে তাদের টোল নিতে বলা হয়েছে। সড়ক বিভাগের সঙ্গে কথা বলেই এটা করা হয়েছে। রোজগার বন্ধ হয়ে যাওয়ায় গরিব মানুষ টোল তুলে তাদের সংসার চালাচ্ছে।’