চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদা উপজেলার সীমান্তবর্তী নাস্তিপুর গ্রামে অভিযান চালিয়ে ১০টি স্বর্ণবার আটক করেছে বিজিবি। এছাড়া দিনাজপুরের বিরামপুর সীমান্ত এলাকা দিয়ে ভারতে পাচারের সময় আরো চারটি স্বর্ণবার আটক করা হয়েছে। গতকাল সকাল এবং সন্ধ্যায় পরিচালিত এ অভিযানে দুই ব্যক্তিকে আটক করা হয়েছে।

চুয়াডাঙ্গা ৬ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লে. কর্নেল সাঈদ মোহাম্মদ জাহিদুর রহমান এক বিজ্ঞপ্তিতে জানান, গতকাল বিকালে আল-মামুন মণ্ডল (২৮) নামে এক যুবক সাইকেলে সীমান্তের দিকে যাচ্ছিলেন। বিজিবি সদস্যরা তাকে সংকেত দিলে তিনি পালানোর চেষ্টা করেন। পরে তার দেহ তল্লাশি করে ১ কেজি ১৬৬ গ্রাম ওজনের ১০টি স্বর্ণবার পাওয়া যায়। তার বিরুদ্ধে দর্শনা থানায় মামলা করে পুলিশে সোপর্দ করা হয়েছে। জব্দ করা স্বর্ণবারগুলো পরীক্ষার পর চুয়াডাঙ্গা ট্রেজারি অফিসে জমা করা হবে।

অন্যদিকে গতকাল সকালে দিনাজপুরের বিরামপুর সীমান্ত দিয়ে ভারতে পাচারের সময় চারটি স্বর্ণবারসহ মোস্তাক হোসেন (২২) নামে এক যুবককে আটক করেছে বিজিবি। আটক যুবক নিজেকে স্বর্ণের বাহক হিসেবে দাবি করেছেন। উপজেলার ঘাসুড়িয়া সীমান্ত থেকে তাকে আটক করেন বিজিবির ঘাসুড়িয়া ক্যাম্পের সদস্যরা।

বিজিবির জিজ্ঞাসাবাদে মোস্তাক হোসেন জানান, বিরামপুর থেকে এক ব্যক্তি তার হাতে প্রতি চালানে চারটি করে স্বর্ণবার দেন। তিনি এগুলো ভারতের এক ব্যক্তির কাছে পৌঁছে দেন। বিনিময়ে তাকে ৪০০ টাকা দেয়া হয়। কয়েক মাসের মধ্যে তিনি ১০ বার স্বর্ণ ভারতে পাঠিয়েছেন। তিনি শুধু এর বাহক। টাকার লোভেই তিনি এসব করেছেন।

বিজিবির ঘাসুড়িয়া ক্যাম্প কমান্ডার হাবিলদার গোপাল চন্দ্র জানান, সীমান্তের দিকে যাওয়ার সময় মোস্তাকের দেহ তল্লাশি করা হয়। এ সময় তার শরীরে বিশেষ কায়দায় লুকিয়ে রাখা চারটি স্বর্ণবার পাওয়া যায়। এ বিষয়ে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে।

এ আগে গত বুধবার হিলি সীমান্ত দিয়ে মোটরসাইকেলে করে ভারতে স্বর্ণ পাচারের সময় মেহেদি হাসান (৩৪) নামে এক যুবককে আটক করে বিজিবি। এ সময় তার কাছ থেকে ১০টি স্বর্ণবার উদ্ধার করা হয়।