ঘূর্ণিঝড় রেমালের তাণ্ডবে ঝালকাঠিতে ৬ শতাধিক ঘরবাড়ি বিধ্বস্ত হয়েছে।
আংশিক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে প্রায় ৫ হাজার ঘরবাড়ি।
সোমবার (২৭ মে) রাতে ঝড়ের সময় জেলার কাঠালিয়া উপজেলার শৌলজালিয়া ইউনিয়নের
বলতলা গ্রামে গাছ চাপা পড়ে জাকির হোসেন (৫৫) নামে এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন।
ঘূর্ণিঝড়ে জেলার ৬ হাজার ১৯০ হেক্টর জমির ফসল এবং বাঁধ ভেঙে পানি
প্রবেশ করে সাড়ে ৯ কিলোমিটার বেড়িবাঁধ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। দুই হাজার ৭০ টি পুকুর ও
১ শত ৫৯টি মাছের ঘের তলিয়ে গেছে।
এছাড়া বিদ্যুতের খুঁটির ওপর গাছ পড়ে রোববার (২৬ মে) রাত থেকে টানা
তিনদিন ধরে পুরো জেলা বিদুৎ বিচ্ছিন্ন রয়েছে। তবে আজ সকাল থেকে বিভিন্ন স্থানে জমে
থাকা পানি নামতে শুরু করেছে। তবে এখনো কয়েক হাজার মানুষ পানিবন্দি রয়েছে। জেলার বিভিন্ন
এলাকার সড়কে এখনো উপড়ে যাওয়া গাছ পড়ে আছে। এসব গাছপালা কেটে সরিয়ে নিতে ফায়ার সার্ভিস
কর্মীরা কাজ করছে।
এদিকে বিভিন্ন ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও গুদামে পানি প্রবেশ করায় ব্যবসায়ীরা
ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। বেশ কয়েকটি মোবাইল অপারেটরের নেটওয়ার্ক বন্ধ থাকায় যোগাযোগ
ব্যবস্থা ব্যাহত হচ্ছে।
ঝালকাঠি জেলা প্রশাসক ফারাহ গুল নিঝুম বলেন, ঘূর্ণিঝড়ে ঝালকাঠি জেলায়
ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। বিভিন্ন দপ্তর থেকে এরই মধ্যে ক্ষয়ক্ষতির তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে।










