দিনাজপুর পৌরসভা ১৯৮৯ সালে প্রথম শ্রেণীর মর্যাদা পেলেও কিছু ক্ষেত্রে সেবার মানে পিছিয়ে। স্থানীয় সরকার বিভাগের শর্তানুযায়ী, প্রথম শ্রেণীর পৌরসভায় পাকা রাস্তা, বিদ্যুৎ ও পানি সরবরাহ, সড়কবাতি, নালা-নর্দমা ও পয়োনিষ্কাশন ব্যবস্থা থাকতে হবে। তবে পৌরসভার ২১৫ কিলোমিটার সড়কের ৮০ শতাংশ ভাঙা। ১৭০ কিলোমিটার পাকা হলেও ৪৫ কিলোমিটার কাঁচা। পয়োনিষ্কাশন ব্যবস্থাও ভেঙে পড়েছে। সংস্কারের অভাবে ড্রেনে পানি আটকে থাকায় সড়কে জলাবদ্ধতা দেখা দিচ্ছে।
পৌরসভার বাসিন্দারা বলছেন, সড়কের বেশির ভাগ স্থানে গর্ত তৈরি হয়েছে। সেখানে জমে থাকা কাদা ও নোংরা পানির মধ্যেই চলছে যানবাহন। অপরিকল্পিতভাবে নির্মিত ড্রেনেজ ব্যবস্থাও পুরোপুরি ভেঙে পড়েছে।
শহরের পাটুয়াপাড়ার রেজাউর রহমান বলেন, ‘সৈয়দ জাহাঙ্গীর আলম বারবার মেয়র নির্বাচিত হয়েছেন। তবে রাস্তাঘাট ও ড্রেনেজ ব্যবস্থার দিকে তার কোনো মনোযোগ ছিল না।’
ভারপ্রাপ্ত মেয়র আবু তৈয়ব দুলাল বলেন, ‘পৌরসভায় ২১৫ কিলোমিটার সড়ক রয়েছে। নির্বাচিত মেয়রের দায়িত্বহীনতার কারণে ৮০ শতাংশ সড়কের বেহাল অবস্থা। এরই মধ্যে প্রধান সড়কগুলো নতুন করে নির্মাণ করা হয়েছে। বেশ কয়েকটি সড়কের উন্নয়নকাজ চলছে। জুলাইয়ের মধ্যে আরো কিছু সড়কের দরপত্র হবে। ডিসেম্বরের মধ্যে সড়ক ও ড্রেনের উন্নয়নকাজ সম্পন্ন হবে।’










