দেশের ক্রীড়াবিদদের আর্থিক সচ্ছলতা ও ক্রীড়াকে পেশা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে চালু হওয়া ক্রীড়া ভাতা কর্মসূচিতে যুক্ত হলেন আরো ১৭১ জন খেলোয়াড়। আজ রোববার রাজধানীর জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের মিলনায়তনে এ ক্রীড়াবিদের হাতে ক্রীড়া কার্ড তুলে দেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. আমিনুল হক।
এর আগে গত ৩০ মার্চ প্রথম পর্যায়ে ১২৯ জনকে এ কার্ড দেয়া হয়েছিল। এখন পর্যন্ত মোট ৩০০ জন ক্রীড়াবিদ এ বিশেষ সুবিধার আওতায় আসলেন। সরকার পর্যায়ক্রমে মোট ৫০০ জন জাতীয় ক্রীড়াবিদকে এই কার্ড প্রদানের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে। যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. নূর আলম এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছেন।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রতিমন্ত্রী মো. আমিনুল হক বলেন, ক্রীড়াকে একটি স্থায়ী ও মর্যাদাপূর্ণ পেশা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করাই সরকারের মূল উদ্দেশ্য। কার্ডধারী প্রতিটি খেলোয়াড়কে বিশেষ বীমা সুবিধার আওতায় আনা হবে এবং মাঠের পারফরম্যান্স চলাকালীন বা ব্যক্তিগত জীবনে যেকোনো ইনজুরিতে তারা অগ্রাধিকার ভিত্তিতে চিকিৎসা সেবা লাভ করবেন। এছাড়া খেলোয়াড়দের মান ধরে রাখতে প্রতি চার মাসের ব্যবধানে তাদের পারফরম্যান্স মূল্যায়ন করা হবে এবং এর ভিত্তিতে নিয়মিত তালিকা নবায়নের মাধ্যমে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা হবে।
তিনি জানান, আগামী শিক্ষাবর্ষ থেকে চতুর্থ শ্রেণী থেকে খেলাধুলাকে পাঠ্যক্রমের আবশ্যিক বিষয়ের মতো বাধ্যতামূলক করা হচ্ছে। শিক্ষার্থীদের এখন থেকে সাধারণ বিষয়ের পাশাপাশি খেলাধুলাতেও উত্তীর্ণ হতে হবে। তৃণমূল পর্যায়ে দক্ষ খেলোয়াড় তৈরির করতে দেশের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোয় দ্রুত ক্রীড়া শিক্ষক নিয়োগের নীতিগত সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। এ নিয়োগ প্রক্রিয়ায় দেশের অভিজ্ঞ সাবেক খেলোয়াড়দের অগ্রাধিকার দিয়ে তাদের অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে মন্ত্রণালয়।










