সিরাজগঞ্জে
দুই সপ্তাহের তাপপ্রবাহে আমের গুটি ও লিচুর মুকুল
ঝরে যাচ্ছে। বৃষ্টি না হওয়ায় আম
ছোট হচ্ছে। এ অবস্থায় আর্থিকভাবে
ক্ষতির আশঙ্কা করছেন কৃষক। পাশাপাশি উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত না হওয়ার আশঙ্কা
করছে কৃষি বিভাগ।
সিরাজগঞ্জ জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, জেলায় এ বছর ১ হাজার ৫৭৮ হেক্টর জমিতে আম ও ১৯৬ হেক্টর জমিতে লিচুর উৎপাদন হবে। আম উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ১৫ হাজার ৮০০ টন। লিচু উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ১ হাজার ১৭৬ টন। লাভ ভালো হওয়ায় জেলায় অনেকে গোপালভোগ, আম্রপালী ও বারী-৪সহ বিভিন্ন জাতের আম এবং চায়না-২, ৩ ও বোম্বাইসহ বিভিন্ন জাতের লিচুর বাগান করেছেন।
তাড়াশ উপজেলার আব্দুল হালিম জানান, তিনি চার বিঘা জমিতে গত ১০ বছর আগে আমের বাগান করেছেন। আম্রপালী জাতের আমের ফলনও বেশ ভালো হয়। এ আমে লাভও হচ্ছে ভালো। কিন্তু গত দুই সপ্তাহের তাপপ্রবাহে আম বড় হচ্ছে না। আবার শুকিয়ে গুটি ঝরে যাচ্ছে। পানি দিয়েও গুটি ঝরা রোধ করা যাচ্ছে না। এ অবস্থা চলতে থাকলে আর্থিক ক্ষতির মধ্যে পড়তে হবে।
কামারখন্দের শাহেদ আলী জানান, তার ৪০০ লিচু গাছে বেশ ভালো মুকুল এসেছিল। তাপপ্রবাহে গাছের পাতাসহ মুকুল শুকিয়ে ঝরে যাচ্ছে। পানি দিয়েও কাজ হচ্ছে না।
এ ব্যাপারে সিরাজগঞ্জ জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত উপপরিচালক (শস্য) মশকর আলী বলেন, ‘জেলায় এ বছর ১৫ হাজার ৮০০ টন আম ও ১ হাজার ১৭৬ টন লিচু উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে। কিন্তু রোদে আম ও লিচুর মুকুল বেশ আগেই ঝরে গেছে। এখন গুটিও ঝরে যাচ্ছে। এ কারণে ৩ হাজার টন আম ও ৩০০ টন লিচু কম উৎপাদন হতে পারে। এ অবস্থায় জমিতে নিয়মিত সেচ দেয়া, ছত্রাক ও কীটনাশক ব্যবহারে কৃষকদের পরামর্শ দেয়া হচ্ছে।’










