খাদ্য ও ভূমি উপদেষ্টা আলী ইমাম মজুমদার বলেন, ‘চাল সংগ্রহে এবার মানের ওপর সর্বাধিক গুরুত্ব দেয়া হবে। কৃষকের উৎপাদন খরচ ও লাভ বিবেচনা করে আমনের ক্রয়মূল্য নির্ধারণ করা হবে। কৃষকদের স্বার্থে সরকার কৃষিতে নিয়মিত ভর্তুকি দিয়ে আসছে। আমন সংগ্রহ অভিযান কীভাবে সফল করা যায়, তা নিয়ে স্থানীয় কর্মকর্তাদের সঙ্গে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। পারস্পরিক আলোচনার মাধ্যমে সুবিধা-অসুবিধা চিহ্নিত করা হয়েছে।’
গতকাল রাজশাহী সার্কিট হাউজে বিভাগের খাদ্যবান্ধব কর্মসূচি ও আসন্ন মৌসুমে আমন সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা নিয়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় শেষে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন।
মতবিনিময় সভায় উপস্থিত ছিলেন বিভাগীয় কমিশনার, বিভাগের আট জেলার জেলা প্রশাসক, আঞ্চলিক খাদ্য নিয়ন্ত্রক ও জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রকরা। সভায় আমন সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ, তা বাস্তবায়ন এবং খাদ্যবান্ধব কর্মসূচি সফলভাবে পরিচালনা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে খাদ্য উপদেষ্টা সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের উদ্দেশে দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্য দেন।
রাজশাহী ও রংপুর অঞ্চলকে দেশের খাদ্যভাণ্ডার হিসেবে উল্লেখ করে উপদেষ্টা বলেন, ‘চলতি মৌসুমে আমনের ফলন ভালো হবে এবং মধ্য নভেম্বরে খাদ্য সংগ্রহ অভিযান শুরু হবে। অন্তর্বর্তী সরকার খাদ্যশস্যের মূল্য স্থিতিশীল রাখতে সক্ষম হয়েছে, ভবিষ্যতেও এ ধারা বজায় থাকবে।’
সরকারের খাদ্য মজুদ সন্তোষজনক পর্যায়ে রয়েছে জানিয়ে আলী ইমাম মজুমদার বলেন, ‘অন্তর্বর্তী সরকার ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত দায়িত্বে থাকবে। এ সময় পর্যন্ত প্রয়োজনীয় খাদ্য মজুদ অতীতের তুলনায় বেশি থাকবে। কিছু চাল আমদানি করতে হতে পারে, তবে আগের বছরের তুলনায় তা অনেক কম। প্রাকৃতিক দুর্যোগ না হলে সর্বোচ্চ চার লাখ টন চাল আমদানি করা লাগবে।’










