খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার জুলফিকার আলী হায়দারের অপসারণ দাবিতে রূপসা (খানজাহান আলী) সেতু ব্লকেড কর্মসূচি পালন করেছেন ছাত্র-জনতা। গতকাল বিকাল ৪টা থেকে সেতুর টোল প্লাজা অবরোধ করে রাখেন তারা। পরে সাড়ে ৫টার দিকে কর্মসূচি প্রত্যাহার করেন আন্দোলনকারীরা। প্রায় দেড় ঘণ্টা সেতুর দুই পাশে বাস, ট্রাক, প্রাইভেট কারসহ শতাধিক যানবাহন আটকা পড়ে। বৃষ্টির মধ্যে আটকে থাকায় সীমাহীন দুর্ভোগ পোহাতে হয় যাত্রীদের।
এর আগে গত মঙ্গলবার বিকালে মামলার আসামি পুলিশের এসআই সুকান্তকে আটক করে খানজাহান আলী থানা পুলিশের কাছে সোপর্দ করেন ছাত্র-জনতা। কিন্তু রাতেই থানা থেকে তাকে ছেড়ে দেয়া হয়। এ ঘটনার প্রতিবাদে বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা গত বুধ ও বৃহস্পতিবার কেএমপির সদর দপ্তর ঘেরাও করে পুলিশ কমিশনারসহ অন্য কর্মকর্তাদের অবরুদ্ধ করে রাখেন। পুলিশ কমিশনারের অপসারণ দাবিতে এক সপ্তাহের বেশি সময় ধরে আন্দোলন করছেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের (একাংশ) নেতৃত্বাধীন ছাত্র-জনতা। গত সোমবার রাতে রূপসা সেতু ব্লকেডের ঘোষণা দেন তারা। তবে চলমান এ আন্দোলন বয়কট করেছে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অন্য একটি অংশ। তারা বলছেন, এ আন্দোলনের কোনো যৌক্তিকতা নেই।
আন্দোলনকারী সাজ্জাদুল ইসলাম আজাদ বলেন, ‘আমাদের দাবির বিষয়ে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা, পুলিশের আইজি কোনো পদক্ষেপ না নেয়ায় অবরোধ করতে বাধ্য হয়েছি।’
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন খুলনা জেলার সদস্য সচিব সাজিদুল ইসলাম বাপ্পি বলেন, ‘কেএমপি কমিশনারের পদত্যাগের এক দফা দাবিতে গতকাল বিকালে রূপসা সেতু ব্লকেড কর্মসূচি পালন করেছি। আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে দাবির বিষয়ে কোনো সমাধান না হলে বৃহস্পতিবার খুলনার সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা ব্লকেড কর্মসূচি পালন করবেন।’










