নেত্রকোণার পূর্বধলা
উপজেলার রেল লাইনের নাট খোলা থাকার কারণে দুর্ঘটনার হাত থেকে রক্ষা পেয়েছে জারিয়াওগামী
২৭২ ডাউন যাত্রীবাহী লোকাল ট্রেন। মঙ্গলবার (২ জানুয়ারি) সকালে নিশ্চিত করেন
রেলওয়ে স্টেশনের বুকিং সহকারী আব্দুল মোমেন।
তিনি জানান, মঙ্গলবার
সকালে ময়মনসিংহ-জারিয়া রেলপথের জারিয়া রেলস্টেশনের কাছে বালুঘাটা নামক স্থানে রেল
লাইন টহলরত আনসার সদস্যরা দেখতে পান রেললাইনের ১৭ নং ব্রিজের ওপর ৪০টি ডগপিন ও নাট
খোলা। পরে তারা তাৎক্ষনিক বিষয়টি পূর্বধলা উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. খবিরুল
আহসান ও জারিয়া স্টেশন মাস্টার মনির হোসেনকে জানান।
আব্দুল মোমেন আরো জনান,
ময়মনসিংহ থেকে ২৭২ ডাউন ট্রেনটি জারিয়ার উদ্দেশে আসছিল। এ ট্রেনে কয়েক‘শ যাত্রী ছিল। এ সময় উপজেলা নির্বাহী অফিসার স্টেশন মাস্টারকে
জানালে স্টেশন মাস্টার ট্রেনের চালককে বিষয়টি জানালে ট্রেন চালক বালুঘাটা আসার
আগেই ট্রেনটি
থামান।
পূর্বধলা উপজেলা
নির্বাহী অফিসার মো. খবিরুল আহসান বলেন, সরকারী সিদ্ধান্ত অনুযায়ী রেললাইনে
সার্বক্ষণিক আনসার সদস্যরা পাহারায় থাকেন। খবর পাওয়ার পরপরই বিষয়টি স্টেশন
মাস্টারকে অবহিত করে ট্রেনটি থামানোর ব্যবস্থা করেছি। পরে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে
রেলওয়ে কর্তৃপক্ষকে দ্রুত মেরামত করার জন্য জানানো হয়েছে। বিষয়টি ঊর্ধ্বতন
কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। রেল লাইনের মেরামত কার্যক্রম এরই মধ্যে শেষ হয়েছে।
নেত্রকোণার পুলিশ সুপার মো. ফয়েজ আহমেদ জানান, প্রাথমিক ভাবে মনে হচ্ছে এটি নাশকতা না। নাটবল্টু খোলার ধরণ দেখে মনে হচ্ছে বেশ কয়েক দিন আগেই এসব নাটবল্টু খোলা হয়ে থাকতে পারে। তারপরও বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
নেত্রকোণার পূর্বধলা
উপজেলার রেল লাইনের নাট খোলা থাকার কারণে দুর্ঘটনার হাত থেকে রক্ষা পেয়েছে জারিয়াওগামী
২৭২ ডাউন যাত্রীবাহী লোকাল ট্রেন। মঙ্গলবার (২ জানুয়ারি) সকালে নিশ্চিত করেন
রেলওয়ে স্টেশনের বুকিং সহকারী আব্দুল মোমেন।
তিনি জানান, মঙ্গলবার
সকালে ময়মনসিংহ-জারিয়া রেলপথের জারিয়া রেলস্টেশনের কাছে বালুঘাটা নামক স্থানে রেল
লাইন টহলরত আনসার সদস্যরা দেখতে পান রেললাইনের ১৭ নং ব্রিজের ওপর ৪০টি ডগপিন ও নাট
খোলা। পরে তারা তাৎক্ষনিক বিষয়টি পূর্বধলা উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. খবিরুল
আহসান ও জারিয়া স্টেশন মাস্টার মনির হোসেনকে জানান।
আব্দুল মোমেন আরো জনান,
ময়মনসিংহ থেকে ২৭২ ডাউন ট্রেনটি জারিয়ার উদ্দেশে আসছিল। এ ট্রেনে কয়েক‘শ যাত্রী ছিল। এ সময় উপজেলা নির্বাহী অফিসার স্টেশন মাস্টারকে
জানালে স্টেশন মাস্টার ট্রেনের চালককে বিষয়টি জানালে ট্রেন চালক বালুঘাটা আসার
আগেই ট্রেনটি থামান।
পূর্বধলা উপজেলা
নির্বাহী অফিসার মো. খবিরুল আহসান বলেন, সরকারী সিদ্ধান্ত অনুযায়ী রেললাইনে
সার্বক্ষণিক আনসার সদস্যরা পাহারায় থাকেন। খবর পাওয়ার পরপরই বিষয়টি স্টেশন
মাস্টারকে অবহিত করে ট্রেনটি থামানোর ব্যবস্থা করেছি। পরে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে
রেলওয়ে কর্তৃপক্ষকে দ্রুত মেরামত করার জন্য জানানো হয়েছে। বিষয়টি ঊর্ধ্বতন
কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। রেল লাইনের মেরামত কার্যক্রম এরই মধ্যে শেষ হয়েছে।
নেত্রকোণার পুলিশ সুপার
মো. ফয়েজ আহমেদ জানান, প্রাথমিক ভাবে মনে হচ্ছে এটি নাশকতা না। নাটবল্টু খোলার ধরণ
দেখে মনে হচ্ছে বেশ কয়েক দিন আগেই এসব নাটবল্টু খোলা হয়ে থাকতে পারে। তারপরও
বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।










