ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের অভিযানের পর থেকেই বরিশালের আড়তগুলো থেকে আলু উধাও হয়ে গেছে। আলুশূন্য পড়ে আছে আড়তগুলো। ফড়িয়াপট্টি ও পেঁয়াজপট্টিসহ বরিশাল নগরীতে ৩৯টি ছোট-বড় আলুর আড়ত রয়েছে। গতকাল সকালে নগরীর ফড়িয়াপট্টির আড়তে গিয়ে কোনো আলু পাওয়া যায়নি। গত দুদিন এ অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে বলে জানান ব্যবসায়ীরা।
তবে ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের বরিশাল বিভাগীয় কার্যালয়ের উপপরিচালক অপূর্ব অধিকারী বণিক বার্তাকে বলেন, ‘আলু নেই যে তা নয়, সরবরাহ কম। তবে তা দু-একদিনের মধ্যে ঠিক হয়ে যাবে। যদি আলুর সরবরাহ কমে যায় তাহলে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের পরামর্শে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে। কোল্ড স্টোরেজগুলোয় কেন্দ্রীয়ভাবে আমাদের অভিযান চলছে। বাজারে সরবরাহ ঠিক রাখতে বেপারী, আড়তদার ও ব্যবসায়ীদের নিয়ে সভা করেছি। বাজারে কোনো অস্থিতিশীল পরিস্থিতি হবে না।’
পায়েল এন্টারপ্রাইজের মালিক এনায়েত হোসেন জানান, তিনি একাধিকবার অর্ডার করেও আলু সরবরাহকারীদের কাছ থেকে কোনো সাড়া পাচ্ছেন না। তার ঘরে একটিও আলু নেই। বৃহস্পতিবারও তিনি প্রায় শতমণ আলু বিক্রি করেছেন। এ বিষয়টি রহস্যজনক বলে তিনি দাবি করেন।
আলুর বাজারে সংকটের বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়ার কথা বলেছেন জেলা প্রশাসক শহিদুল ইসলাম। তিনি বলেন, ‘দেশে যে পরিমাণ চালুর চাহিদা তার চেয়ে বেশি মজুদ আছে। মোকামেও সরকারের নজরদারি আছে। সুতরাং মোকাম থেকেও বেপারী কিংবা আড়তদারদের বেশি দামে আলু কেনার কথা নয়। দাম নিয়ে কোনো সমস্যা হওয়ার কথা নয়। পাইকারি আলু সরবরাহে কোনো কারসাজি করলে প্রশাসন তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবে।’










