দেশে নতুন করে বাড়ছে করোনা সংক্রমণ। এরই মধ্যে স্বাস্থ্য বিভাগ মাস্ক ব্যবহার ও স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলাসহ বিভিন্ন নির্দেশনা দিয়েছে। দেশের বিভিন্ন বন্দরেও আগাম সতর্কতা জারি করা হয়েছে। তবে সেক্ষেত্রে কিছুটা অপ্রস্তুত রয়েছে সিলেট ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ও তামাবিল স্থলবন্দর। ২০২০ সালে ভাইরাসটির সংক্রমণ বেড়ে গেলে এ দুটি বন্দরে থার্মাল স্ক্যানার স্থাপন করা হলেও তা বিকল রয়েছে। যাত্রীদের শরীরের তাপমাত্রা মাপতে হচ্ছে বিকল্প পদ্ধতি ইনফ্রারেড থার্মোমিটার দিয়ে।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, থার্মাল স্ক্যানার দিয়ে শরীরের তাপমাত্রা মাপা সহজ ও নিরাপদ। স্ক্যানার মেশিন দুটি দ্রুত সচল না হলে নতুন করে স্ক্যানার বসানো হবে।
এ ব্যাপারে সিলেট বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক ডা. মো. আনিসুর রহমান বণিক বার্তাকে বলেন, ‘২০২০ সালে কভিড সংক্রমণ-পরবর্তী সময়ে ব্যবহার না হওয়ায় ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের থার্মাল স্ক্যানার বিকল হয়ে পড়েছে। তামাবিল স্থলবন্দরেও একই অবস্থা হয়েছে। তবে ইনফ্রারেড থার্মোমিটার দিয়ে ওই দুই জায়গায় কাজ চলছে।’
ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের পরিচালক হাফিজ আহমদ জানান, দেশে কভিড সংক্রমণ ফের বাড়তে শুরু করায় তারাও বাড়তি সতর্কতামূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করেছেন। মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশ থেকে আসা যাত্রীদের জন্য ইমিগ্রেশন এলাকায় স্বাস্থ্য পরীক্ষার ব্যবস্থা চালু করা হয়েছে। তাছাড়া বিমানবন্দরে যাত্রী ও কর্মীদের জন্য মাস্ক ব্যবহারসহ সচেতনতা কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে। তবে ভারত থেকে সিলেটে সরাসরি কোনো ফ্লাইট না থাকায় স্বস্তি প্রকাশ করেন তিনি।
থার্মাল স্ক্যানার না থাকার বিষয়ে সিভিল সার্জন ডা. মো. নাসির উদ্দিন বলেন, ‘গুরুত্বপূর্ণ ওই দুটি বন্দরে দ্রুত থার্মাল স্ক্যানার বসানো হবে। কভিড নিয়ে এখনই আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই। তবে সতর্কতা জারি থাকবে।’










