দিনাজপুরের হাকিমপুর উপজেলার আলিহাট ইউনিয়নে চাল বিতরণে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। তালিকায় নাম থাকলেও চেয়ারম্যান আবু সুফিয়ান চাল দেননি বলে অভিযোগ উপকারভোগীদের। অভিযোগ অস্বীকার করে তার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র হচ্ছে বলে জানিয়েছেন ইউপি চেয়ারম্যান। বিষয়টি তদন্ত করে ব্যবস্থা নেয়ার আশ্বাস দিয়েছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা।
চালবঞ্চিত কয়েকজন উপকারভোগী জানান, ঘূর্ণিঝড় রেমালে ক্ষতিগ্রস্ত ১৬৬ জনকে বিশেষ বরাদ্দ দেয়া হয়। প্রত্যেকের জন্য ২০ কেজি করে চাল দেয়া হয়। তালিকায় নাম থাকলেও অনেকেই সে চাল পাননি। তালিকায় ইউপি সদস্যের নাম দিয়ে চাল উত্তোলনের অভিযোগ রয়েছে। এমনকি মৃত ব্যক্তির নামেও চাল উত্তোলনের অভিযোগ উঠেছে। একইভাবে ভিজিএফের চাল বিতরণেও অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে তার বিরুদ্ধে। এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে অভিযোগ দিয়েছেন আবু মুসা নামের এক ব্যক্তি। এর আগে ১ হাজার ৮০০ কেজি চাল আত্মসাতের ঘটনায় ৭ মার্চ চেয়ারম্যানকে বরখাস্ত করে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়। পরবর্তী সময়ে হাইকোর্ট সেই আদেশ স্থগিত করলে আবারো নিজ পদে বহাল হন তিনি।
তালিকায় নাম থাকা আলিহাট ইউনিয়নের গুমরা গ্রামের হাফিজুর রহমান বলেন, ‘তালিকায় আমার ও স্ত্রীর নাম রয়েছে। সে হিসাবে ২০ কেজি করে ৪০ কেজি চাল পাওয়ার কথা। কিন্তু চাল আমরা দুজনের মধ্যে কেউ পাইনি। তাহলে আমাদের নামে এ চাল কে তুলতেছে।’
এ ব্যাপারে আলিহাট ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আবু সুফিয়ান বলেন, ‘একের পর এক চাল বিতরণ নিয়ে কোনো অভিযোগ নেই। এটি মিথ্যা কথা। ভিজিডি কার্ড নিয়ে যেটা হয়েছে, কিছু নাম অসাবধানতাবশত বাতিল হয়েছে। এরপর জিআরের চাল নিয়ে যে ঘটনা; সেটি হলো মেম্বারদের সাতটি করে কার্ড দেয়া হয়েছিল। তারা হুট করে আইডি কার্ড জমা দিয়েছিল। যার মধ্যে কিছু সম্পদশালী ব্যক্তি ছিল। এ বিষয়টিকে সামনে এনে বিভিন্নভাবে আমার বিরুদ্ধে প্রচারের চেষ্টা করা হচ্ছে। চাল না পাওয়ার অভিযোগ সঠিক নয়।’










