কপোতাক্ষ নদে নকশা পরিবর্তন ও নীতিমালা লঙ্ঘন করে সেতু নির্মাণের প্রতিবাদে গতকাল ঝিকরগাছায় মানববন্ধন করেছে কপোতাক্ষ বাঁচাও আন্দোলন কমিটি।
উপজেলার পারবাজার এলাকায় যশোর-বেনাপোল সড়কে ঘণ্টাব্যাপী এ মানববন্ধনে সভাপতিত্ব করেন উপজেলা কপোতাক্ষ বাঁচাও আন্দোলন কমিটির আহ্বায়ক আব্দুর রহিম।
এ সময় বক্তব্য রাখেন কপোতাক্ষ বাঁচাও আন্দোলন কমিটির আহ্বায়ক অনিল বিশ্বাস, প্রধান উপদেষ্টা ইকবাল কবির জাহিদ, কপোতাক্ষ ক্রেডিট ইউনিয়নের সভাপতি মাস্টার বিমল কুমার ঘোষ, কপোতাক্ষ বাঁচাও আন্দোলনের অন্যতম নেতা অ্যাডভোকেট আমিনুর রহমান হিরু, ভৈরব বাঁচাও আন্দোলনের নেতা জিল্লুর রহমান ভিটু প্রমুখ।
মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, সরকার ৮০৫টি সেতু অপসারণ ও পুনর্নির্মাণের সিদ্ধান্ত ঘোষণা করেছে।
এ সিদ্ধান্তকে আমরা স্বাগত জানাই।
ঠিক সে সময়ে যশোর-বেনাপোল মহাসড়কে ঝিকরগাছায় কপোতাক্ষ নদের ওপর সেতু নির্মাণে সরকারি নীতিমালা লঙ্ঘন করে নৌ-চলাচলে স্থায়ী প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করা হয়েছে।
নির্মাণ প্রতিষ্ঠান ক্রস বর্ডার রোড নেটওয়ার্ক ইমপ্রুভমেন্ট প্রজেক্ট (বাংলাদেশ) বিআইডব্লিউটিএ বা নৌ-কর্তৃপক্ষের অনুমোদন নেয়া প্রয়োজন বোধ করেনি এবং নির্ধারিত নকশা নীতিমালাও উপেক্ষা করেছে।
জাতীয় অর্থনীতিতে বিশাল অবদান রাখে বেনাপোল-যশোর সড়ক, যা ইন্টারন্যাশনাল হাইওয়েও বটে।
সে সড়কে কপোতাক্ষের উপরে সেতু নির্মাণ উন্নয়নের জন্য অতি গুরুত্বপূর্ণ।
কিন্তু সেতু নির্মাণে সরকার নির্ধারিত প্রবাহমানতা ও নৌ-চলাচলের নীতি অনুসরণ না করে করা হয়েছে।
সেতুটি এমনভাবে করা হয়েছে, যেখানে নদ সংস্কারের উদ্দেশ্যই ব্যর্থ হবে।
ঝিকরগাছায় সেতু নির্মাণ প্রকল্প গ্রহণের আগে এক্ষেত্রে পরিবেশ ও স্থানীয় জনমত যাচাইয়ের নীতি মানা হয়নি।
বিষয়টি নিয়ে পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশিত হলে গত ২৯ জুলাই বিআইডব্লিউটিএর যুগ্ম পরিচালক মো. আশরাফ হোসেন স্থানীয় জনগণের উপস্থিতিতে সেতু পরিদর্শন করেন।
সেখানে তিনি মাপ দিয়ে দেখেন বিআইডব্লিউটিএর অনুমোদন নিতে হয়, তা নেয়া হয়নি।










