প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের পরিচালক (প্রশাসন) মলয় কুমার শূরকে মারধরের
ঘটনায় মামলা হয়েছে। আসামি করা হয়েছে জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা (লিভ, ডেপুটেশন অ্যান্ড
ট্রেনিং রিজার্ভ) মো. আজিজুল ইসলামকে।
মৎস্য ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী মো. আবদুর রহমানের বাসার লিফটে হামলার
এ ঘটনায় শাহবাগ থানায় শুক্রবার (১৪ জুন) রাতে মামলাটি নথিভুক্ত হয়।
মামলার এজাহারে অভিযোগ করা হয়েছে, প্রাণিসম্পদমন্ত্রী তার বাসভবন
দিগন্ত টাওয়ারে মলয় শূরকে আসতে বলেছিলেন প্রশাসনিক বিষয়ে দিকনির্দেশনার জন্য। সে অনুযায়ী
বৃহস্পতিবার (১৩ জুন) রাত সোয়া আটটার সময় মন্ত্রীর বাসায় যান মলয় কুমার। সোয়া নয়টার
দিকে কাজ শেষে টাওয়ারের লিফটে নিচতলায় নামেন। আজিজুল লিফটের সামনে আগে থেকেই ভারী কোনো
বস্তু নিয়ে অবস্থান করছিলেন। লিফটের দরজা খোলার সঙ্গে সঙ্গে মলয় শূরকে ধাক্কা দিয়ে
লিফটের ভেতর ফেলে দেন তিনি।
মলয় শূর অভিযোগ করেন, হত্যার উদ্দেশ্যে তার মাথা ও নাকে আঘাত করে
জখম করেন আজিজুল। মলয় চিৎকার করলে নিরাপত্তা প্রহরীরা এগিয়ে আসেন। তখন ভয়ভীতি দেখিয়ে
ও জীবননাশের হুমকি দিয়ে পালিয়ে যান আজিজুল। এরপর মলয়কে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ
হাসপাতালে নিয়ে প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়া হয়। তার মুখমণ্ডল ফেটে যাওয়ায় সেলাই দিতে হয়েছে
ও স্থায়ী ক্ষত হয়েছে বলে মনে হচ্ছে। এছাড়া বুক ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে জখম হয়েছে।
হামলার সম্ভাব্য কারণ হিসেবে মলয় শূর উল্লেখ করেন, বৃহস্পতিবার আজিজুল ইসলামকে মন্ত্রণালয় পরিচালক পদমর্যাদার একটি পদে পদায়ন করে। মলয় শূর সংশ্লিষ্ট
দপ্তরের পরিচালক (প্রশাসন) হিসেবে দায়িত্ব পালন করায় এ বিষয়ে মন্ত্রীকে মতামত দিয়েছিলেন।
বিভাগীয় মামলায় শাস্তিপ্রাপ্ত অবস্থায় আজিজুলের নতুন পদায়ন হয়। এ বিষয়ে মতামত দেয়া
হয়। আইন অনুযায়ী তিনি কথা বলেছেন।
মামলার তথ্য নিশ্চিত করেন শাহবাগ থানার কর্তব্যরত কর্মকর্তা মো. রোকনুজ্জামান।
তিনি বণিক বার্তাকে বলেন, প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের পরিচালক (প্রশাসন) মলয় কুমার শূরকে
মারধরের ঘটনায় মামলা হয়েছে। মামলার আসামি জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা (লিভ, ডেপুটেশন
অ্যান্ড ট্রেনিং রিজার্ভ) মো. আজিজুল ইসলামকে এখনো গ্রেফতার করা যায়নি। তাকে গ্রেফতারের
চেষ্টা চলছে।










