বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ, প্রাবন্ধিক ও মার্কসবাদী তাত্ত্বিক অধ্যাপক যতীন সরকারকে শেষ শ্রদ্ধা জানানো হয় নেত্রকোনায়। বুধবার (১৩ আগস্ট) রাত আটটায় তার মরদেহ জেলা শহরের কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে নেয়া হলে সেখানে তার সহকর্মীবৃন্দ, জেলা প্রশাসন, পুলিশ প্রশাসন, নেত্রকোনা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি, ছাত্র-শিক্ষকসহ বিভিন্ন সামাজিক, সাংস্কৃতিক সংগঠন ও ভক্তরা তাকে শেষ শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।
নেত্রকোনা বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য খন্দকার মো. আশরাফুল মুনিম, জেলা প্রশাসনের পক্ষে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক রাফিকুজ্জামান, পুলিশ প্রশাসনের পক্ষে পুলিশ সুপার মির্জা সায়েম মাহমুদ, নেত্রকোনা পৌরসভার পক্ষে পৌর প্রশাসক আরিফুল ইসলাম সরদার, উদীচী জেলা সংসদ, নেত্রকোনা সাহিত্য সমাজ, নেত্রকোনা জেলা প্রেসক্লাব, শিল্পকলা একাডেমি, প্রত্যাশা সাহিত্য গোষ্ঠীসহ বিভিন্ন সামাজিক- সাংস্কৃতিক সংগঠন শেষ শ্রদ্ধা নিবেদন করে।
এ সময় যতীন সরকারের ছেলে সুমন সরকার, মেয়ে সুদীপ্তা সরকার, প্রয়াতের ভক্ত, সহকর্মীসহ সমাজের নানা শ্রেণি-পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন। পরে সেখান থেকে ময়মনসিংহ নগরের হরিকিশোর রায় রোডের উদীচী কার্যালয়ে নেয়া হয়। জেলা শহরের সাতপাই এলাকার রামকৃষ্ণ মিশন রোডে বানপ্রস্থে নিজ বাসায় তার মরদেহ নেয়া হয়।
বুধবার বিকাল ২টা ৪৫ মিনিটে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে বরেণ্য এ লেখক ও শিক্ষাবিদ পরলোকগমন করেন। তিনি স্ত্রী, এক ছেলে ও এক মেয়ে রেখে যান। রাতে স্থানীয় শ্মশানে তার অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার কথা ছিল।
অধ্যাপক যতীন সরকার ১৯৩৬ সালের ১৮ আগস্ট নেত্রকোনার কেন্দুয়া উপজেলার চন্দপাড়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। যতীন সরকার স্বাধীনতা পদক (২০১০), বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার (২০০৭), ড. এনামুল হক স্বর্ণপদক (১৯৬৭), খালেকদাদ চৌধুরী সাহিত্য পরস্কার (১৯৯৭), প্রথম আলোর বর্ষসেরা বই পুরস্কারসহ (২০০৫) অসংখ্য পুরষ্কার-সম্মাননা পেয়েছেন।










