জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক (অতিরিক্ত সচিব) এএইচএম সফিকুজ্জামান বলেছেন, ‘মাঝে মাঝে সুযোগ নিয়ে ১৭ কোটি ভোক্তাকে প্রতারিত করছে কতিপয় স্বার্থান্বেষী গোষ্ঠী। এর আগে আলু, ব্রয়লার মুরগি ও ডিম নিয়ে যা করেছে, এখন চাল, পেঁয়াজ নিয়েও তা করা হচ্ছে। তবে তাদের বিরুদ্ধে আমরা কঠোর অবস্থানে রয়েছি।’
গতকাল বেলা ১১টায় বরিশাল নগরীর ফড়িয়াপট্টি ও চকবাজারের পাইকারি বাজার পরিদর্শন শেষে মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন। চাল, ভোজ্যতেল ও নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্য স্থিতিশীল রাখার লক্ষ্যে ব্যবসায়ী প্রতিনিধিসহ বিভিন্ন পর্যায়ের অংশীজনের অংশগ্রহণে এ সভার আয়োজন করে ভোক্তা সংরক্ষণ অধিদপ্তর।
ডিম, ব্রয়লার মুরগির মতো পুরো বাজার অস্থির করে দেয়া হয়েছে উল্লেখ করে এএইচএম সফিকুজ্জামান বলেন, ‘উত্তরবঙ্গে কয়েকশ বড় বড় চালকল আছে, তারা কীভাবে জোটবদ্ধ হয়। তাহলে এখানেও ডিম ও ব্রয়লার মুরগির মতো এসএমএসের মাধ্যমে চালের বাজার অস্থির করে দেয়া হয়েছে। এটা যারা করছে তাদের বিরুদ্ধে আমরা প্রতিটি উপজেলা ও জেলায় কার্যকর ব্যবস্থা নেব।’
চালের বাজার নিয়ে কারসাজির বিষয়ে তিনি বলেন, ‘মোকামে চালের দাম বাড়ানোর পেছনে একটি চক্র সারা দেশে ধানের দাম বেড়েছে— এমন প্রচার করেছে। ধানের দাম যদি বেড়েও থাকে সেই চাল তো দুই মাস পর বাজারে আসবে। মূলত সিন্ডিকেট করার জন্য আগে ধান কিনে মাড়াই করে বিভিন্ন জায়গায় মজুদ করে রাখা হয়। ১৫-২০ দিনের ব্যবধানে একই মোকামের একই ভাউচারে একই চাল ৪ থেকে সাড়ে ৪ টাকা কম-বেশি হচ্ছে। ব্যবধান ফরিদপুর ও কুষ্টিয়ার আড়ত থেকেই হচ্ছে।’
রমজান উপলক্ষে পণ্য নিয়ে যাতে কেউ কারসাজি করতে না পারে সেজন্য ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর কাজ করছে বলেও জানান তিনি।










