টানা বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলের পানিতে ফের দ্বিতীয় দফায় সুনামগঞ্জে বন্যা পরিস্থিতি দেখা দিয়েছে। আজ সোমবার সকাল নয়টায় সুরমা নদীর পানি বিপদসীমার ১১ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এরই মধ্যে জেলার নিম্নাঞ্চলে নদীর পানি প্লাবিত হচ্ছে। বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পানি প্রবেশ করায় বন্ধ রয়েছে শিক্ষা কার্যক্রম।

এদিকে সড়ক ভেঙে পানি প্লাবিত হওয়ায় ছাতক, দোয়ারাবাজার, তাহিরপুর, বিশ্বম্ভরপুরসহ বেশ কয়েকটি উপজেলা জেলা সদরের সঙ্গে সরাসরি সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে৷

জানা গেছে, তাহিরপুর-বিশ্বম্ভরপুর-সুনামগঞ্জ সড়কে তিনটি স্থানে ঢলের পানিতে তলিয়ে যাওয়ায় জেলা সদরের সঙ্গে সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যানচলাচল বন্ধ রয়েছে। এতে করে ভোগান্তিতে পড়েছেন পর্যটকসহ সাধারণ মানুষ।

তাহিরপুর উপজেলার বালিজুড়ি ইউনিয়নের বালিজুড়ি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক এনামুল হক বলেন, বিদ্যালয়ের অফিসসহ সব শ্রেণি কক্ষে হাঁটু পানি। এ কারণে আজ শিক্ষা কার্যক্রম বন্ধ রেখেছি। এছাড়া পানিতে সড়কে তলিয়ে যাওয়ায় শিক্ষার্থীসহ সবার দুর্ভোগ বেড়েছে।

সুনামগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. সামসুদ্দোহা বলেন, গত ২৪ ঘণ্টায় সুনামগঞ্জে ৭৯ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। আজ সকাল ৯ টায় সুরমা নদীর পানি বিপদসীমার ১১ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। দুপুরে সুরমা নদীর পানি বিপদসীমা আরো বাড়তে পারে। আগামী ২৪ ঘণ্টা ভারতের মেঘালয়ে ভারী বৃষ্টিপাতের সম্ভবনা রয়েছে। মেঘালয়ে ভারী বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকলে বন্যা পরিস্থিতি আরো অবনতি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।