মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা ফরিদা আক্তার বলেছেন, ‘বিশ্বব্যাপী খাদ্যনিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বিজ্ঞান, স্বাস্থ্য ও প্রযুক্তির সমন্বিত কাজ অপরিহার্য। টেকসই উন্নয়ন, খাদ্যনিরাপত্তা ও পুষ্টি নিশ্চিত করতে বিজ্ঞানভিত্তিক গবেষণার কোনো বিকল্প নেই। আধুনিক প্রযুক্তি ও উদ্ভাবনী গবেষণার মাধ্যমে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাতকে আরো শক্তিশালী করতে হবে।’
গতকাল সকালে যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (যবিপ্রবি) জীববিজ্ঞান ও প্রযুক্তি অনুষদের আয়োজনে ‘লাইফ সায়েন্স, হেলথ অ্যান্ড বায়োটেকনোলজি’ শীর্ষক আন্তর্জাতিক সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। লাইফ সায়েন্স, হেলথ ও বায়োটেকনোলজি সম্পর্কিত আন্তর্জাতিক গবেষণা ও উদ্ভাবনী ধারাগুলোকে একত্র করা ও বৈজ্ঞানিক জ্ঞানের উন্নয়ন এ সম্মেলনের উদ্দেশ্য। দুই দিনব্যাপী সম্মেলনে দেশ ও বিদেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, গবেষক ও শিক্ষার্থীরা অংশগ্রহণ করে। সম্মেলনে জীববিজ্ঞান, স্বাস্থ্য ও বায়োটেকনোলজি বিষয়ক গবেষণাপত্র উপস্থাপন, পোস্টার প্রেজেন্টেশন ও বৈজ্ঞানিক আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়।
উপদেষ্টা ফরিদা আক্তার বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর গবেষণার মানোন্নয়ন ও আন্তর্জাতিক মানের করতে এ ধরনের কনফারেন্স ও সেমিনারের কোনো বিকল্প নেই। এ দেশ মাছ উৎপাদন ও রফতানিতে অনেক এগিয়ে। মাছ শুধু প্রোটিন সমৃদ্ধ খাবারই নয়, মাছে রয়েছে ত্বকের জন্য বিশেষ উপাদান যা আমাদের ত্বককে ভালো রাখে। দক্ষিণাঞ্চলকে বলা হয় মাছের অভয়ারণ্য। বিভিন্ন প্রজাতির মাছ চাষে এ অঞ্চলের চাষীরা ধারাবাহিক সফলতা বজায় রেখে চলেছেন। এ ধারাকে আরো বেগবান করতে এরই মধ্যে অনেক কার্যকরী সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। আশা করি, বিশ্ববিদ্যালয়কেন্দ্রিক গবেষণা এ ধারায় আরো নতুন মাত্রা যোগ করবে।’
কনফারেন্সে বক্তব্য রাখেন যবিপ্রবির উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আব্দুল মজিদ, এশিয়ান ফেডারেশন অব বায়োটেকনোলজির ভাইস প্রেসিডেন্ট অধ্যাপক ড. এম মোজাম্মেল হক, ইসলামিক বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. নকীব মোহাম্মদ নসরুল্লাহ, খুলনা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. নাজমুল আহসান, যবিপ্রবির কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. হোসেন আল মামুন প্রমুখ।










