স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক বলেছেন, ‘চিকিৎসা শিক্ষাকে অধিকতর যুগোপযোগী, গতিশীল ও ব্যবহারিক করার লক্ষ্যে মেডিকেল কলেজে সিমুলেশন ল্যাব ও ই-লাইব্রেরি চালু করা হয়েছে। সিমুলেশন ল্যাবে অ্যাডভান্সড ডিজিটাল ডিসেকসন টেবিলের ব্যবহার করে ডিজিটাল মৃতদেহ ব্যবচ্ছেদের মাধ্যমে দক্ষতা অর্জন করতে পারবেন চিকিৎসাবিজ্ঞানের শিক্ষার্থীরা। এ পদ্ধতিতে মেডিকেলের শিক্ষার্থীরা রোগীর ওপর প্রয়োগ করার আগেই সিমুলেটরের মাধ্যমে ব্যবহারিক জ্ঞান অর্জন করতে সক্ষম হবেন। এতে করে অপ্রতুল মৃতদেহের সরবরাহ ও ব্যবহার কমে আসবে।’
গতকাল দুপুরে মানিকগঞ্জ কর্নেল মালেক মেডিকেল কলেজ হাসপাতালসহ দেশের আটটি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে সিমুলেশন ল্যাব ও ই-লাইব্রেরির উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
পর্যায়ক্রমে দেশের সব মেডিকেল কলেজ ও ডেন্টাল কলেজে এ ল্যাব ও ই-লাইব্রেরি চালু করা হবে বলে জানান তিনি।
মন্ত্রী আরো বলেন, ‘সিমুলেশন ল্যাব এবং ৩৭টি মেডিকেল কলেজে ই-লাইব্রেরি চালু হওয়ার মাধ্যমে আমাদের স্বাস্থ্যসেবায় আরো একটি দিক উন্মোচিত হলো এবং ডিজিটাল ও স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ার ক্ষেত্রে আরো একধাপ এগিয়ে গেলাম।’
তিনি বলেন, ‘এরই মধ্যে ৫০টি সরকারি হাসপাতালে সান্ধ্যকালীন চিকিৎসাসেবা কার্যক্রম চালু হয়েছে। এ বছরের মধ্যেই দেশের জেলা, সব উপজেলা ও জেলা হাসপাতালে সান্ধ্যকালীন সেবা কার্যক্রম চালু হবে। এতে করে স্বাস্থ্যসেবা মানুষের একবারেই দোরগোড়ায় পৌঁছে যাবে। এছাড়া প্রতিটি জেলা হাসপাতালে এ বছরই ১০টি কিডনি ডায়ালাইসিস বেড স্থাপন করা হবে। এতে মানুষকে আর উন্নত চিকিৎসার জন্য ছোটাছুটি করতে হবে না।’
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে স্বাস্থ্য শিক্ষা ও পরিবার কল্যাণ বিভাগের সচিব আজিজুর রহমান, স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. টিটু মিয়া, অতিরিক্ত সচিব মো. নুরুন্নবী, মানিকগঞ্জ কর্নেল মালেক মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের পরিচালক ডা. মোহাম্মদ আরশাদ উল্লাহ, কর্নেল মালেক মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের অধ্যক্ষ ডা. জাকির হোসেন, সিভিল সার্জন ডা. মোয়াজ্জেম আলী খান চৌধুরী, মানিকগঞ্জের জেলা প্রশাসক মো. আব্দুল লতিফ, পৌর মেয়র মো. রমজান আলী, জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আব্দুস সালাম প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।










