নিত্যপণ্যের বাজার তদারকির পাশাপাশি নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করছে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর ও জেলা প্রশাসন। রোজার আগে বাজারে পণ্যের দাম সহনীয় রাখতে ৮ ফেব্রুয়ারি চাল, চিনি, তেল ও খেজুরের শুল্ক কমানোর ঘোষণাও দেয় জাতীয় রাজস্ব বোর্ড। তার পরও পণ্যের দাম কমেনি, বরং কিছু পণ্যের দাম আগের তুলনায় বেড়েছে।
সপ্তাহের ব্যবধানে ছোলা, ডাল ও আলুর দামে বেড়েছে ১০-৫০ টাকা পর্যন্ত। গত বছরের তুলনায় এ বছর দ্বিগুণ দামে বিক্রি হচ্ছে খেজুর। ভোক্তারা বলছেন, দুইদিন পরপর লোক দেখানো অভিযান কোনো কাজেই আসছে না।
বরিশালের বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা গেছে, এক সপ্তাহের ব্যবধানে ৯৫ টাকার ছোলা ঠেকেছে ১১০ টাকায়। এক লাফে ৪০ টাকা বেড়েছে মুগ ডালে। বিক্রি হচ্ছে ১৭০ টাকায়। বাজারে খেসারি বিক্রি হচ্ছে ১১০ টাকায়। মুড়িতে কেজিপ্রতি বেড়েছে ১০ টাকা। চিড়ার কেজি ৬০ ও চিনি ১৪০ টাকা। কেজিপ্রতি ৫০-১০০ টাকা বেড়েছে ফলের দাম। ৫ টাকা বেড়ে আলুর কেজি ৩৫ টাকা হয়েছে। দাম কমেছে সয়াবিন তেলের। ১৭৩ টাকার পরিবর্তে বিক্রি হচ্ছে ১৬২ টাকায়। এছাড়া খেজুরের দাম বেড়েছে দ্বিগুণ। মরিয়ম ও আজোয়া খেজুর ১ হাজার ১৫০ টাকা, ডাল খেজুর ৬৫০, নাগাল ৬৫০, বরই খেজুর ৪৮০, দাবাস ৫৮০ ও ছালবি ৭০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে, যা গতবারের তুলনায় দ্বিগুণ।
বরিশাল ক্যাবের সাধারণ সম্পাদক রণজিৎ দত্ত বলেন, ‘ব্যবসায়ীরা যেমন সিন্ডিকেট করেন, ভোক্তাদেরও এখন সিন্ডিকেট করার সময় হয়েছে। দাম বাড়ার ভয়ে কেউ যেন পণ্য মজুদ না করে। তাহলে বাজার ক্রেতাদের নিয়ন্ত্রণে আসবে।’
বরিশালের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মনদীপ ঘরাই বলেন, ‘রমজানে বাজার মনিটরিংয়ের পাশাপাশি নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হবে।’










