ঈদের তৃতীয় দিনেও পর্যটকদের পদচারণায় মুখরিত কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকত। সৈকতের ১৮ কিলোমিটার এলাকাজুড়ে পর্যটকদের পদচারণা। পদ্মা সেতু চালু হওয়ায় এ বছর পর্যটক সমাগম অনেক বেশি হয়েছে বলে জানিয়েছেন হোটেল ব্যবসায়ীরা। পর্যটকদের নিরাপত্তায় কাজ করছে ট্যুরিস্ট পুলিশ।

কুয়াকাটার দর্শনীয় স্থান নারিকেল কুঞ্জ, ইকো পার্ক, জাতীয় উদ্যান, শ্রীমঙ্গল বৌদ্ধবিহার, ফাতরার বনাঞ্চল, গঙ্গামতি, লেম্বুরচর, শুঁটকি পল্লীসহ সৈকতের জিরো পয়েন্ট থেকে পূর্ব ও পশ্চিমে মনোমুগ্ধকর সমুদ্রের বেলাভূমি, একাধিক নয়নাভিরাম লেক ও সংরক্ষিত বনায়ন পর্যটকদের পদচারণায় মুখরিত। সাগর পাড়ে ব্যবসায়ীরা পর্যটকদের আকৃষ্ট করতে ছোট ছোট বিভিন্ন ধরনের শামুকসহ নিত্যনতুন পণ্যের পসরা সাজিয়ে বসেছেন।

ঢাকা  থেকে ঘুরতে এসেছেন  জিয়াউল হক। তিনি বলেন, ছুটি কাটাতে পরিবারসহ কুয়াকাটায় এসেছি। এখানকার শেষ বিকালের সৌন্দর্য আমাকে বিমোহিত করেছে।

আবাসিক হোটেল সি-ভিউ’র ম্যানেজার সোলায়মান ফরাজী বলেন, আজ তৃতীয় দিন  আমাদের হোটেলের সব কক্ষ বুকিং হয়ে গেছে। আশা করি এবারের ঈদে রেকর্ড সংখ্যক পর্যটক আসছেন।

কুয়াকাটা ট্যুরিজম ম্যানেজমেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক হোসাইন আমির বলেন,  রেকর্ড সংখ্যক  পর্যটক এসেছেন।

ট্যুরিস্ট পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আবুল কালাম আজাদ বলেন, পর্যটকদের নিরাপত্তা দিতে আমাদের টহল জোরদার করা হয়েছে। প্রত্যেক দর্শনীয় স্থানে পোশাকধারী পাশাপাশি সাদা পোশাকের পুলিশ রয়েছে।