পাবনার ঈশ্বরদীতে পদ্মা নদীর বালুমহালের আধিপত্য নিয়ে দুই গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষ ও গোলাগুলির ঘটনা ঘটেছে। এতে সাতজন গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। গুরুতর অবস্থায় দুজনকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। বাকিরা ঈশ্বরদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা নিচ্ছেন।

গতকাল সকালে পদ্মা নদীর সাঁড়াঘাট এলাকার বালুমহালে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। লক্ষ্মীকুণ্ডা নৌ-পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ এমরান মাহমুদ তুহিন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

গুলিবিদ্ধরা হলেন ঈশ্বরদী উপজেলার রূপপুর গ্রামের রেজাউল হক লালু, তালতলা গ্রামের সানাউল্লাহ প্রামাণিক, রূপপুর তিন বটতলা এলাকার চপল হোসেন কালু, কুষ্টিয়ার ভেড়ামারা উপজেলার চাঁদগ্রামের সেলিম আহমেদ, একই গ্রামের সৈকত ইসলাম, ভেড়ামারা থানার গোলাপনগর গ্রামের রিপন হোসেন ও একই গ্রামের রাসেল। তাদের মধ্যে গুরুতর অবস্থায় সেলিম ও সৈকতকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

সুলতান আলী বিশ্বাস টনি বলেন, ‘বিআইডব্লিউটিএর লাইসেন্স হোল্ডার হিসেবে দীর্ঘদিন ধরে বালি উত্তোলন করছি। জেলা প্রশাসক আমাদের আইনি সহযোগিতার জন্য উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে চিঠিও দিয়েছেন। হাইড্রোগ্রাফিক চার্টের চিহ্নিত স্থান থেকে দেশীয় প্রযুক্তির ড্রেজার দিয়ে মাটি ও বালি তোলার অনুমতি রয়েছে আমার। সকালে আমার লোকজন নৌকা নিয়ে বালুমহালে গেলে লালপুরের দিক থেকে তিনটি নৌকায় করে কিছু লোকজন এসে হামলা চালায়। এ সময় সাতজন গুলিবিদ্ধ ছাড়াও আরো বেশ কয়েকজন আহত হন।’

তবে সংঘর্ষের বিষয়ে জানতে লালপুর চরের বালুমহালের ইজারাদার শহিদুল ইসলামের সঙ্গে চেষ্টা করেও তাকে পাওয়া যায়নি।

ঈশ্বরদী থানার ওসি (তদন্ত) মনিরুল ইসলাম জানান, ওই এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। এ ব্যাপারে লিখিত অভিযোগ পেলে আইনি পদক্ষেপ নেয়া হবে।