বিশ্ববিদ্যালয়ের সংরক্ষণাগার থেকে অনিয়মের মাধ্যমে সম্পদ বিক্রির অভিযোগে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) চার কর্মকর্তাকে শাস্তি হিসেবে ভিন্ন ভিন্ন অফিসে বদলি করেছে কর্তৃপক্ষ। অভিযুক্তরা সবাই এস্টেট শাখার কর্মকর্তা ছিলেন।
আজ মঙ্গলবার তাদের বদলির আদেশ হয়েছে। খবরটি নিশ্চিত করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার এইচ এম আলী হাসান।
অফিস আদেশে অভিযুক্ত কর্মকর্তা টিপু সুলতানকে এস্টেট অফিস থেকে একাডেমিক শাখার রেজিস্ট্রার অফিসে, শাখা কর্মকর্তা উকিল উদ্দীনকে সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদে, নাজমুল হুসাইনকে পরিবেশ বিজ্ঞান ও ভূগোল বিভাগে এবং সহকারী রেজিস্ট্রার বকুল হোসেনকে গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগে বদলি করা হয়েছে।
একইসঙ্গে ভবিষ্যতে এমন ঘটনা যেন না ঘটে সে ব্যাপারে তাদের সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে।
বিশ্ববিদ্যালয় সূত্র জানায়, বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসিসির কেন্দ্রীয় রক্ষণাগার থেকে ‘পুরাতন জিনিস’ উল্লেখ করে গত ২৬ ও ২৭ এপ্রিল ৫০ টাকা দরে ৪৩টি কম্পিউটারের পুরনো মনিটর, ৪১ টাকা কেজি দরে ৪৩টি সিপিইউ, একটি পুরাতন টাইপিং মেশিন, প্রিন্টার, তিনটি ফটোকপি মেশিন এবং নাম মাত্র মূল্যে একটি পুরোনো এসি, ২৩ কেজি ওজনের ৬টি লোহার পাইপ, প্রায় ৪৫০ কেজি পুরোনো কাগজ বিক্রি করা হয়।
এস্টেট দপ্তরের ডেপুটি রেজিস্ট্রার টিপু সুলতান তার অফিসের উল্লেখিত সহযোগীদের নিয়ে এ কাজ করেন। একইসঙ্গে মালামাল বিক্রির টাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যাকাউন্টে জমা না দেয়ার অভিযোগও উঠে।
এ ঘটনা প্রকাশ্যে এলে গত ১৪ মে টিপু সুলতান ও তার তিন সহযোগীকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেয় কর্তৃপক্ষ। এরপর গত ৩১ মে টিপু সুলতানকে দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেয়া হয়। ওই দিন একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়।
তদন্ত কমিটি চার কর্মকর্তার বিরুদ্ধে আনিত অভিযোগের আংশিক সংশ্লিষ্টতা পায় বলে উল্লেখ করে প্রতিবেদন জমা দেয়। ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার জানান, তদন্ত প্রতিবেদনের আলোকে বিধি মোতাবেক শাস্তি পেয়েছেন অভিভুক্তরা।










