পিরোজপুরের কচা নদীর ওপর নির্মিত বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিব অষ্টম বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সেতু উদ্বোধনের পরই সেতুতে উচ্ছ্বাসিত মানুষের ঢল নেমেছে। আজ রোববার বেলা ১১টায় গণভবন থেকে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে সেতুটির উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। প্রধানমন্ত্রীর উদ্বোধন ঘোষণার পরপরই হেঁটে চলাচলের জন্য খুলে দেয়া হয় সেতু। মুহূর্তেই কচা নদীর দুই প্রান্তের হাজারো মানুষের ভিড়ে সেতু মুখর হয়ে ওঠে। রাত ১২ টা ১ মিনিটে সেতুটিতে যান চলাচল শুরু হবে।
পিরোজপুরের কাউখালী উপজেলার বাসিন্দা রবিউল হাসান রবিন ও সৈয়দ বশির আহমেদ বলেন, বেকুটিয়া ফেরি প্রায়ই বিকল থাকত। এ ছাড়া বর্ষাকালে এ কচানদী পার হতে গিয়ে ঝড় তুফান উপেক্ষা করে জেলা সদরে যেতে হতো। সেতু উদ্বোধন হওয়ায় আমাদের সে দুর্ভোগ দূর হলো।
জানা গিয়েছে, ২০১৮ সালের ১ নভেম্বর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে সেতুটির নির্মাণকাজের উদ্বোধন করেন। ৯৯৮ মিটার দৈর্ঘ্যের ও ১৩ দশমিক ৪০ মিটার প্রস্থের সেতুতে ১০টি পিয়ার ও ৯টি স্প্যান রয়েছে। ৮৮৯ কোটি টাকা ব্যয়ে চীনের চায়না রেলওয়ে ১৭ ব্যুরো গ্রুপ লিমিটেড নামের একটি প্রতিষ্ঠান সেতুটি নির্মাণ করেছে। এর মধ্যে ৬৫৪ কোটি ৭৯ লাখ টাকা চীন সরকার এবং বাকি অর্থ বাংলাদেশ সরকার দিয়েছে।
গত ৭ আগস্ট ঢাকায় পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেনের সঙ্গে বৈঠকে চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই সেতুর হস্তান্তর সনদ চুক্তিতে সই করেন। পিরোজপুর সড়ক বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী শেখ নাবিল হোসেন জানান, রোববার দিবাগত রাত ১২টা ১ মিনিটে সেতুটি যান চলাচলের জন্য খুলে দেয়া হবে।










