‘টেকসই পর্যটনের জন্য রান’ প্রতিপাদ্য নিয়ে ও দৌড়ের মাধ্যমে স্বাস্থ্য সচেনতার বার্তা ছড়িয়ে দিতে কক্সাজার শহরে অনুষ্ঠিত হয়েছে ‘কক্সবাজার রান ২০২৫’। শনিবার (১৯ এপ্রিল) ভোর ৫টায় কক্সবাজার রানার্স কমিউনিটির আয়োজনে কক্সবাজার সমুদ্র তীরে লাবণী বীচ থেকে শুরু হওয়া প্রতিযোগিতায় ১২টি দেশের সাড়ে ছয়শরও অধিক প্রতিযোগী অংশ নেন।
কক্সবাজার রানার্স কমিউনিটির আয়োজনে সহযোগিতায় ছিল জেলা প্রশাসন ও জেলা পুলিশ। আয়োজনে স্পন্সর ছিল কক্সবাজারের ঐতিহ্যবাহী রেস্টুরেন্ট শালিক, হিমছড়ি। এছাড়া ইউনিয়ন হাসপাতাল হাইড্রেশন পার্টনার, জার্সিওলোজি ক্লথিং পার্টনার, লং বীচ হোটেল ও উর্মি গেস্ট হাউজ হসপিটালিটি পার্টনার এবং বণিক বার্তা মিডিয়া পার্টনার ছিল।
দৌড় প্রতিযোগিতায় ছিল ২১ কিলোমিটার হাফ ম্যারাথন ও ৭.৫ কিলোমিটার ফান রান। দৌড়ের পথ ছিল সমুদ্র তীরের লাবণী বীচ পয়েন্ট, কলাতলীর ডলফিন মোড়, বাসটার্মিনাল, রুমালিয়ারছড়া থেকে বাকখালীর পুরাতন ব্রিজ হয়ে খুরুশকুল গ্রামীণ পথ ধরে, আশ্রয়ন প্রকল্পের মোড়, বাঁকখালীর নতুন ব্রীজ পেরিয়ে থানা রোড, হলিডে মোড় থেকে মোটল শৈবালের সামনে দিয়ে আবার লাবণী বীচ পয়েন্টে শেষ হয়। দৌড়ের সময় বৈরী আবহাওয়ার মধ্যেও কক্সবাজার শহর, বাঁকখালীর প্রাকৃতিক সৌন্দর্য মুগ্ধ করে প্রতিটি রানারকে, পাশাপাশি তারা উপভোগ করেন কক্সবাজারের গ্রামীণ জীবনের এক ঝলক।
দৌড় শেষে দুই ক্যাটাগরির ১২ জনকে নগদ অর্থ ও সম্মাননা স্মারক প্রদান করা হয়। কক্সবাজার রানের উপদেষ্টা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার (যুগ্মসচিব) ও আল্ট্রা ম্যারাথন রানার মোহাম্মদ সামছু-দ্দৌজা, অতিথি রানার হিসেবে উপস্থিত ছিলেন লুৎফর রহমান (আল্ট্রা রানার), টিম ধানমন্ডির এডমিন ও আল্ট্রা রানার খায়রুল ইসলাম, আল্ট্রা রানার ও শেরপুর রানার্স কমিউনিটির প্রতিষ্ঠাতা এডমিন আল আমিন সেলিম, কামাল হোসাইন এবং আল্ট্রা রানার রাইসুল ইসলাম নাবিল প্রমুখ।
পুরস্কার প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে রানারদের উৎসাহ দেন কক্সবাজার জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ সালাহউদ্দিন। উপস্থিত ছিলেন কক্সবাজারের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ট্রাফিক) জসিম উদ্দিন চৌধুরী, সহকারী কমিশনার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট (ট্রেজারী শাখা, নেজারত শাখা) একে এম ইঞ্জারুল হক।















