পাবনা
২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে স্বাস্থ্যসেবার মান বাড়তে শুরু করেছে। গাদাগাদি করে মেঝেতে অথবা করিডোরে রোগ যন্ত্রণায় কাতর কিছু রোগী এখন বিছানায় থাকার সুযোগ পাচ্ছে। যদিও জেলার প্রায় ২৮ লাখ মানুষের
মধ্যম মানের স্বাস্থ্যসেবা পাওয়ার একমাত্র ভরসা এ হাসপাতাল। ফলে
রোগীর আধিক্য প্রতিদিনই থাকে ধারণক্ষমতার অতিরিক্ত।
সরজমিন ঘুরে দেখা যায়, হাসপাতাল চত্বরে আগে জমে থাকা আবর্জনা পরিষ্কার করা হয়েছে। ওয়ার্ডগুলোর ভেতর পরিষ্কার-পরিছন্ন রাখা হচ্ছে। পাবনা জেনারেল হাসপাতালটির শয্যা সংখ্যা ২৫০ হলেও গড়ে প্রায় ৪০০ রোগী ভর্তি হয়ে চিকিৎসা নেয়। ফলে স্থান সংকুলান না হলে মেঝে এবং করিডোরে তাদের থাকতে হতো। বর্তমান সহকারী পরিচালক যোগদানের পর পরিত্যক্ত বেড মেরামতের উদ্যেগ নেন। অকেজো ৮২টি বেড মেরামতের মাধ্যমে থাকার উপযোগী করে তোলা হয়। পরে সেগুলো করিডোর ও ওয়ার্ড অভ্যন্তরের খালি জায়গায় স্থাপন করা হয়।
হৃদরোগ ওয়ার্ডের কনসালট্যান্ট ডা. শাহরিয়ার কবির জানান, তার ওয়ার্ডে নির্ধারিত বেড আটটি হলেও আরো ছয়টি বেড সংযোজন করা হয়েছে। মেডিসিন বিভাগে পুরুষ ৪২ ও মহিলা ৩২টিসহ নির্ধারিত বেড রয়েছে ৭২টি। কিন্তু প্রতিদিন প্রায় ১৫০ রোগী ভর্তি থেকে চিকিৎসা নিচ্ছে। গাইনি, শিশু ও সার্জারি বিভাগের অবস্থা একই রকম।
সার্জারি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ডা. গৌতম কুমার ঘোষ জানান, সহকারী পরিচালক যোগদানের পর হাসপাতালের স্বাস্থ্যসেবার মান অনেক পরিবর্তন হয়েছে। তিনি প্রতিদিন প্রতিটি ওয়ার্ডে ভিজিট করেন এবং রোগীদের খোঁজখবর নেন ও চিকিৎসকদের পরামর্শ দেন। আউটডোরেও তিনি পরিদর্শন করে রোগীদের খোঁজখবর নেন।
হাসপাতালের সহকারী পরিচালক ডা. রফিকুল হাসান বলেন, ‘যোগদানের পর কিছু ব্যবস্থাপনা আমার কাছে দৃষ্টিকটু লেগেছে, সে কারণে আমি সেগুলো সংস্কার করতে শুরু করেছি। রোগীরা যাতে স্বাস্থ্যসেবা পায় সেদিকে আমি সচেষ্ট থাকার চেষ্টা করে যাব।’










