সরকারি চাল আত্মসাতের অভিযোগে কুতুবদিয়া বড়ঘোপ খাদ্যগুদামের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা পলাশ চৌধুরীসহ ছয়জনের বিরুদ্ধে মামলা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। গতকাল দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) সমন্বিত চট্টগ্রাম জেলা কার্যালয়-২-এর সহকারী পরিচালক রতন কুমার দাশ বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেন।
মামলার অন্য আসামিরা হলেন কুতুবদিয়া বড়ঘোপ খাদ্যগুদামের খণ্ডকালীন পরিচ্ছন্নতা কর্মী মো. শাহজাহান প্রকাশ মিন্টু, নিরাপত্তা প্রহরী নিজাম উদ্দিন, জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক দপ্তরের স্প্রে ম্যান মো. শাহজাহান (বর্তমানে কুতুবদিয়া উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক দপ্তরে নিযুক্ত), মেসার্স
হিমায়ন সি ফুডসের প্রোপ্রাইটর ও কক্সবাজার শহরের টেকপাড়ার সিকদার মহল এলাকার জানে আলমের স্ত্রী দিলরুবা হাসান এবং মেসার্স মোহনা এন্টারপ্রাইজের প্রোপ্রাইটর ও শহরের ঝাউতলা গাড়িরমাঠ এলাকার মাস্টার শফিকুর রহমানের ছেলে সেলিম রেজা।
মামলার প্রধান আসামি খাদ্যগুদামের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা পলাশ চৌধুরী চাল আত্মসাতের অভিযোগে গ্রেফতার হয়ে কারাগারে রয়েছেন।
মামলার এজাহারে বলা হয়, গত ২১ জুন থেকে ৩০ জুন পর্যন্ত ১০ দিনে ঠিকাদার দিলরুবা হাসান ও সেলিম রেজার মাধ্যমে কক্সবাজার সদর এলএসডি থেকে ৩০২ দশমিক ৬৭৯ টন চাল বড়ঘোপ খাদ্যগুদামে প্রেরণ করা হয়। সেখান থেকে ১৯০ দশমিক ৪৪২ টন সরকারি চাল গুদাম থেকে আত্মসাৎ করেন আসামিরা। এ ঘটনায় কক্সবাজার জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক (ভারপ্রাপ্ত) আফিফ আল মাহমুদ ভুঁইয়া গত ২৯ জুলাই কুতুবদিয়া থানায় লিখিত অভিযোগ দেন।
দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) সমন্বিত চট্টগ্রাম জেলা কার্যালয়-২-এর সহকারী পরিচালক রতন কুমার দাশ বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, আসামিরা একে অন্যের সঙ্গে যোগসাজশ করে ক্ষমতার অপব্যবহারের মাধ্যমে ১৯০ দশমিক ৪৪২ টন সরকারি চাল আত্মসাৎ করেছে। আত্মসাত্কৃত চালের বর্তমান বাজারমূল্য ৮৫ লাখ ২৫ হাজার ৪৩৭ টাকা। পরবর্তী সময়ে মামলার তদন্তকালে অন্য কারো সংশ্লিষ্টতা পাওয়া গেলে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে।










