ভুয়া প্রতিষ্ঠান দেখিয়ে ব্যাংক থেকে ঋণ নেয়ার দায়ে দুদকের মামলায় রাজন দাস নামে এক ব্যক্তির ১০ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন নোয়াখালীর আদালত। এ সময় ১ লাখ টাকা অর্থদণ্ডের আদেশ দেয়া হয়। গতকাল বিকালে জেলা বিশেষ জজ আদালতের বিচারক এএনএম মোরশেদ খান এ রায় দেন। দণ্ডপ্রাপ্ত রাজন দাস ফেনী সদর উপজেলার পশ্চিম রামপুর গ্রামের মৃত অরুন দাসের ছেলে।

নোয়াখালী দুদক সমন্বিত জেলা কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, রাজন দাস নিজেকে ফেনীর ‘রাজন টেলিকম’ নামের একটি প্রতিষ্ঠানের পরিচালক পরিচয় দিয়ে ভুয়া কাগজপত্র দেখিয়ে সোনালী ব্যাংক মহিপাল শাখায় ৪ লাখ টাকা এসএমই ঋণের জন্য আবেদন করেন। পরে ঋণ বাবদ ব্যাংক থেকে ৩ লাখ ৬০ হাজার টাকা উত্তোলন করেন রাজন। পরবর্তী সময়ে জানাজানি হলে দুদক সমন্বিত জেলা কার্যালয়, নোয়াখালী বিষয়টি নিয়ে অনুসন্ধান করে। অনুসন্ধানে দেখা যায়, ‘রাজন টেলিকম’ নামে কোনো প্রতিষ্ঠানই ফেনীতে ছিল না। সব কাগজপত্র জাল ছিল। পরবর্তী সময়ে ২০১৪ সালের ৩১ ডিসেম্বর ফেনী মডেল থানায় বিশেষ আইনে মামলা দায়ের করে দুদক।

জেলা দুদকের আইনজীবী আবুল কাশেম জানান, গতকাল মামলার শুনানি শেষে বিচারক এএনএম মোরশেদ খান অভিযুক্ত আসামিকে ৪২০ ও ৪৬৮ ধারায় মোট ১০ বছরের কারাদণ্ড ও ১ লাখ টাকা অর্থদণ্ড করেন। রায় ঘোষণার সময় আসামি আদালতে অনুপস্থিত ছিলেন।