এতে কয়েক ঘণ্টা যান চলাচল বন্ধ ছিল। পরে সেনাবাহিনীর তৎপরতায় পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়। অন্যদিকে রোহিঙ্গা ক্যাম্পে পাহাড়ধসে এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। গতকাল সকাল থেকে বিকাল পর্যন্ত এ ঘটনা ঘটে।

কলাতলী এলাকায় পাহাড়ধসে তিনজন আহত হয়েছে। মাটি চাপা পড়েছে তিনটি বসতঘর। আহতদের চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে। এছাড়া উখিয়ার ১৩ নম্বর রোহিঙ্গা ক্যাম্পে পাহাড়ধসে নুনুজিয়া নামে এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে।

সকাল ১০টার দিকে ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখা যায়, মেরিন ড্রাইভের পূর্ব পাশে ৮০ থেকে ৯০ ফুট উঁচু পাহাড়ের একটি অংশ গাছসহ ধসে সড়কের ওপর পড়েছে। সেনাবাহিনীর সদস্যরা খননযন্ত্র দিয়ে সড়ক থেকে মাটি ও গাছপালা সরানোর কাজ করছেন। এ সময় সড়কের দুই পাশে শতাধিক যানবাহন আটকা থাকতে দেখা যায়। এসব যানবাহনের যাত্রীদের বেশির ভাগই পর্যটক।

উখিয়া ৮ আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক মো. আসাদুজ্জামান জানান, দুপুরে রোহিঙ্গা ক্যাম্প-১৩-এর এফ/৫ ব্লকে টানা ভারি বৃষ্টির কারণে একটি শেল্টারের ওপর পাহাড় ধসে পড়ে। এতে মাটি চাপা পড়ে গুরুতর আহত হয় আট বছর বয়সী রোহিঙ্গা শিশু নুনুজিয়া। স্থানীয়রা দ্রুত তাকে ক্যাম্পসংলগ্ন হাসপাতালে নিলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

কক্সবাজার-টেকনাফ মেরিন ড্রাইভ সড়ক উন্নয়ন প্রকল্পের পরিচালক কর্নেল হুমায়ুন কবির জানান, ভারি বর্ষণের ফলে সড়কটির বেশ কয়েকটি জায়গায় পাহাড়ধসের ঘটনা ঘটে। পর্যটক ও চলাচলরত যানবাহনের জন্য সতর্ক করা হয়েছে।