স্থানীয় সরকার নির্বাচনে ভোটকেন্দ্র ও ভোটকক্ষ নির্ধারণের নীতিমালায় পরিবর্তন এনে নতুন গেজেট প্রকাশ করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। নতুন নীতিমালা অনুযায়ী, প্রতি ভোটকক্ষে পুরুষ ও নারী ভোটারের সংখ্যা বাড়ানো হয়েছে। একই সঙ্গে ভোটগ্রহণে চাপ কমাতে প্রতিটি ভোটকক্ষে প্রয়োজন অনুযায়ী একাধিক গোপন কক্ষ রাখার সুযোগও রাখা হয়েছে।

আজ বৃহস্পতিবার নির্বাচন কমিশনের সিনিয়র সহকারী সচিব (নির্বাচন সহায়তা-৩) মো. রশিদ মিয়ার সই করা এক সরকারি গেজেট বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানা গেছে।

এতে বলা হয়েছে, সাধারণ নির্বাচনে গড়ে প্রতি দুই হাজার ভোটারের জন্য একটি করে ভোটকেন্দ্র স্থাপন করা হবে। এতে ভোটকক্ষে আগে যেখানে সাধারণভাবে প্রতি ৪০০ জন পুরুষ এবং ৩০০ থেকে ৩৫০ জন মহিলা ভোটারের জন্য একটি করে ভোটকক্ষ বরাদ্দ থাকত। নতুন নিয়মে সেটি বাড়িয়ে প্রতি ৬০০ জন পুরুষ ভোটার এবং ৫০০ জন মহিলা ভোটারের জন্য একটি করে ভোটকক্ষ নির্ধারণ করতে বলা হয়েছে।

একইভাবে উপনির্বাচনের ক্ষেত্রেও নিয়ম সংশোধন করা হয়েছে। আগে উপনির্বাচনে কোনো একটি পদে ভোটের জন্য ৫০০ জন পুরুষ এবং ৪০০ জন মহিলা ভোটারের বিপরীতে একটি কক্ষ ব্যবহৃত হতো। এখন সাধারণ নির্বাচন বা উপনির্বাচন উভয় ক্ষেত্রেই প্রতি ৬০০ জন পুরুষ এবং ৫০০ জন মহিলা ভোটারের জন্য একটি করে ভোটকক্ষ বরাদ্দ থাকবে।

নতুন নীতিমালায় আরো উল্লেখ করা হয়েছে, চাপ কমাতে প্রতিটি ভোটকক্ষে প্রয়োজনে একাধিক গোপন কক্ষ বা মার্কিং প্লেস তৈরি করা যাবে।

এছাড়া আগের নিয়ম বহাল রেখে জানানো হয়েছে, প্রতিটি সাধারণ ওয়ার্ডের সীমানার ভেতরেই একটি করে ভোটকেন্দ্র স্থাপন করতে হবে। তবে বাস্তব পরিস্থিতি বিবেচনা করে স্থানীয় প্রয়োজনের ওপর ভিত্তি করে একই ওয়ার্ডে একাধিক ভোটকেন্দ্রও স্থাপন করা যাবে।