গণ-অভ্যুত্থান-পরবর্তী রাজনৈতিক রূপান্তরের ধারাবাহিকতায় দেশের শাসন ব্যবস্থায় নতুন অধ্যায়ের সূচনা হলো। দুই দশক পর রাষ্ট্রক্ষমতায় প্রত্যাবর্তন করল বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল—বিএনপি। প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়ে গতকাল রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন দলটির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। দুই দশক পর জিয়া পরিবারের উত্তরসূরি হিসেবে প্রথমবারের মতো সরকারপ্রধান হিসেবে দায়িত্ব নিলেন তিনি। একই অনুষ্ঠানে ২৫ জন পূর্ণ মন্ত্রী ও ২৪ জন প্রতিমন্ত্রী শপথ নেয়ার মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করল নতুন মন্ত্রিসভা। গতকাল বিকালে জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় আয়োজিত অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন নতুন সরকারের মন্ত্রিসভার সদস্যদের শপথবাক্য পাঠ করান।

এবার রেওয়াজ ভেঙে বঙ্গভবনের বদলে জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় হয় শপথ অনুষ্ঠান। গতকাল বিকাল ৪টায় জাতীয় সংগীত এবং তারপর কুরআন তিলাওয়াতের মাধ্যমে শপথ অনুষ্ঠান শুরু হয়। অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গণি। নিয়ম অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের কাছ থেকে প্রথমে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালনের এবং তারপর গোপনীয়তার শপথ নেন তারেক রহমান। এরপর তিনি শপথের নথিতে স্বাক্ষর করেন। নতুন প্রধানমন্ত্রীকে আনুষ্ঠানিক অভিনন্দন জানানোর পর মন্ত্রিপরিষদে জায়গা পাওয়া সদস্যদের নাম ঘোষণা এবং শপথ গ্রহণের জন্য আহ্বান জানানো হয়। এরপর নতুন মন্ত্রীদের শপথ পাঠ করান রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন। সবশেষে প্রতিমন্ত্রীদের নাম ঘোষণা করে তাদের শপথ গ্রহণের জন্য আহ্বান জানানো হয়। প্রতিমন্ত্রীদের শপথ এবং শপথে স্বাক্ষরের মাধ্যমে অনুষ্ঠান শেষ হয়। শপথ অনুষ্ঠানে তারেক রহমানের স্ত্রী ডা. জুবাইদা রহমান, মেয়ে জাইমা রহমান এবং পরিবারের অন্য সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

এর আগে গতকাল সকাল ১০টায় জাতীয় সংসদ ভবনের শপথকক্ষে বিএনপির নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যরা শপথ নেন। শপথবাক্য পাঠ করান প্রধান নির্বাচন কমিশনার এএমএম নাসির উদ্দিন। পরে দুপুর ১২টায় বিএনপির সংসদীয় দলের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। ওই বৈঠকে সর্বসম্মতভাবে দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে ত্রয়োদশ সংসদের নেতা নির্বাচিত করা হয়। ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ বিজয়ের পর রাষ্ট্র পরিচালনায় তারেক রহমানের সঙ্গী হচ্ছেন ২৫ জন মন্ত্রী এবং ২৪ জন প্রতিমন্ত্রী। তাদের মধ্যে বিএনপি জোটের শরিক দুই নেতাও রয়েছেন। দায়িত্বপ্রাপ্তদের মধ্যে অনেকেই প্রথমবার মন্ত্রী হয়ে সরকার পরিচালনায় যুক্ত হচ্ছেন। তারেক রহমান নিজেও এবারই প্রথম সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন।

নতুন সরকারের নীতিগত অগ্রাধিকার হিসেবে বিএনপির নির্বাচনী ইশতাহার ও আগেই ঘোষিত ‘৩১ দফা’কে রোডম্যাপ হিসেবে সামনে রাখার কথা বলা হচ্ছে। বিএনপির নির্বাচনী ইশতাহারের গুরুত্বপূর্ণ প্রতিশ্রুতিগুলোর মধ্যে রয়েছে দরিদ্র ও নিম্ন আয়ের জনগোষ্ঠীর জন্য ধাপে ধাপে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ চালুর মাধ্যমে সামাজিক সুরক্ষা জোরদার করা, কৃষি ও গ্রামীণ অর্থনীতিকে শক্তিশালী করতে সহায়তা কর্মসূচি সম্প্রসারণ, স্বাস্থ্য খাতে জনবল ও সেবা বাড়ানো, দক্ষতা ও প্রযুক্তিভিত্তিক শিক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তোলা, যুবকদের কর্মসংস্থান ও উদ্যোক্তা সহায়তা বৃদ্ধি, পরিবেশ ও জলবায়ু সুরক্ষায় নদী-খাল পুনঃখনন, বৃক্ষরোপণ ও আধুনিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনা চালু, সব ধর্মের মানুষের মধ্যে সামাজিক ও ধর্মীয় সম্প্রীতি জোরদার এবং ডিজিটাল অর্থনীতি সম্প্রসারণে আন্তর্জাতিক পেমেন্ট ব্যবস্থা চালু ও ই-কমার্স সম্প্রসারণ। পাশাপাশি দলটি তাদের ইশতাহারকে শুধু নির্বাচনী অঙ্গীকার নয়, বরং একটি নতুন সামাজিক ও রাষ্ট্রীয় চুক্তি হিসেবে তুলে ধরে, যেখানে ভোটাধিকার সুরক্ষা, দুর্নীতি দমন, আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা এবং বৈষম্যহীন রাষ্ট্র গঠনের প্রতিশ্রুতি দেয়া হয়েছে।

রাষ্ট্রকাঠামো সংস্কার ও অর্থনৈতিক মুক্তির লক্ষ্য সামনে রেখে ২০২৩ সালে ৩১ দফা ঘোষণা করে বিএনপি। দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক সংস্কার ভাবনার ধারাবাহিকতা হিসেবে এটি উপস্থাপন করা হয়। দলটির ঘোষিত ৩১ দফার মূল বিষয়গুলো হলো গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা, নির্বাচনকালীন নিরপেক্ষ তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা চালু, প্রধানমন্ত্রীর ক্ষমতায় ভারসাম্য আনা, সংসদের উচ্চকক্ষ প্রবর্তন, নির্বাচন কমিশন ও রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান পুনর্গঠন এবং বিচার বিভাগের স্বাধীনতা নিশ্চিত প্রভৃতি। পাশাপাশি প্রশাসন, গণমাধ্যম ও অর্থনীতি সংস্কারে পৃথক কমিশন গঠন, দুর্নীতির বিরুদ্ধে শ্বেতপত্র প্রকাশ, পাচার হওয়া অর্থ ফেরত আনা এবং মানবাধিকার সুরক্ষার প্রতিশ্রুতি দেয়া হয়েছে। অর্থনীতি ও সামাজিক খাতে বৈষম্য কমানো, শ্রমিকের ন্যায্য মজুরি, বিনিয়োগ বৃদ্ধি, কৃষিপণ্যের ন্যায্যমূল্য, যুবকদের কর্মসংস্থান ও বেকার ভাতা, নারীর ক্ষমতায়ন, শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতে জিডিপির ৫ শতাংশ বরাদ্দ, সর্বজনীন স্বাস্থ্যসেবা, স্থানীয় সরকার শক্তিশালী করা, জলবায়ু মোকাবেলা, তথ্যপ্রযুক্তি উন্নয়ন এবং পরিকল্পিত নগরায়ণ ও দরিদ্রদের আবাসন নিশ্চিত করার লক্ষ্য তুলে ধরা হয়েছে। আগামী দিনের রাষ্ট্র পরিচালনায় এসব বিষয় গুরুত্ব পাবে বলে জানিয়ে আসছেন দলটির নেতারা।

পতিত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দীর্ঘ ১৬ বছরের কর্তৃত্বপরায়ণ শাসনামলে ভেঙে পড়া প্রতিটি রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান মেরামতের পাশাপাশি তারেক রহমানের সামনে সবচেয়ে বড় পরীক্ষাগুলোর একটি হবে বহুমাত্রিক জটিল ভূরাজনৈতিক বাস্তবতা। দীর্ঘদিন ধরে ঝুলে থাকা রোহিঙ্গা সংকট, মিয়ানমারের অস্থিতিশীলতা, যুক্তরাষ্ট্রের ইন্দো-প্যাসিফিক কৌশল—সবকিছুর ভেতর দিয়ে বাংলাদেশকে আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক ভারসাম্য সামলাতে হবে। এ বাস্তবতায় নতুন সরকারের জন্য সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হবে রোহিঙ্গাদের টেকসই প্রত্যাবাসনের পথ খুঁজে বের করা, একই সঙ্গে ভারত, চীন ও যুক্তরাষ্ট্রের মতো পরাশক্তির সঙ্গে সম্পর্ক রক্ষা করে কৌশলগত স্বার্থে ভারসাম্য বজায় রাখা। তারেক রহমানের নির্বাচনী স্লোগান ছিল ‘সবার আগে বাংলাদেশ’। তিনি বিভিন্ন সময় বলেছেন, ‘দিল্লি নয়, পিন্ডি নয়, অন্য কোনো দেশ নয়—সবার আগে বাংলাদেশ’। নির্বাচন-পরবর্তী সংবাদ সম্মেলনেও বিদেশনীতি নির্ধারণে বাংলাদেশের জাতীয় স্বার্থকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেয়ার কথা পুনর্ব্যক্ত করেছেন তিনি। এ অবস্থানকে কার্যকর নীতিতে রূপ দিতে তাকে একদিকে বহুমুখী কূটনীতি জোরদার এবং আঞ্চলিক প্রতিযোগিতার ভেতরে থেকেও স্বার্থসংশ্লিষ্ট ইস্যুগুলোতে দরকষাকষি করতে হবে।

সংসদ সদস্য হিসেবে এবারই প্রথম নির্বাচিত হলেও তারেক রহমানের রাজনৈতিক যাত্রা ১৯৮৮ সালে। বগুড়ার গাবতলী উপজেলা বিএনপির সাধারণ সদস্য হিসেবে রাজনীতিতে আনুষ্ঠানিকভাবে যুক্ত হন তিনি। তবে তারও আগে স্বৈরাচার এরশাদ সরকারের আমলে মা খালেদা জিয়ার সঙ্গে গৃহবন্দি হতে হয়েছে তাকে। নব্বইয়ের দশকে স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনে সক্রিয় ছিলেন তারেক রহমান। নেতাকর্মীদের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ এবং তৃণমূলের সমস্যা কাছ থেকে দেখার অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়ে তিনি সংগঠনকেন্দ্রিক রাজনীতিতে অগ্রসর হন। বিএনপির ভেতরে নেতৃত্ব বিকাশের জন্য গোপন ব্যালট চালু, জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে নিয়মিত সম্মেলন আয়োজন, তরুণদের সংগঠনে যুক্ত করার উদ্যোগ নিয়েছিলেন তিনি।

২০০১ সালে বিএনপি ক্ষমতা গ্রহণের পর কোনো রাষ্ট্রীয় পদে না থাকলেও দলীয় নীতিনির্ধারণ ও সাংগঠনিক কার্যক্রমে সক্রিয় ছিলেন প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এবং প্রয়াত প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার সন্তান তারেক রহমান। ২০০৫ সালে দেশব্যাপী তৃণমূল সম্মেলনের আয়োজন করে প্রতিটি উপজেলা ইউনিটের নেতাকর্মীদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন। এসব সম্মেলনে তিনি কৃষকদের জন্য সরকারি ভর্তুকি, বয়স্কদের জন্য ভাতা, পরিবেশ রক্ষায় পলিথিন ব্যাগবিরোধী উদ্যোগ এবং নারী শিক্ষার্থীদের উপবৃত্তি কর্মসূচি সম্পর্কে জনগণকে অবহিত করেন।

২০০৭ সালের ওয়ান-ইলেভেন-পরবর্তী সেনা-সমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময় গ্রেফতার ও কারাবাসের মধ্য দিয়ে তার রাজনৈতিক জীবন সংকটে পড়ে। ওই সময় সামরিক গোয়েন্দা সংস্থা ডিজিএফআইয়ের কিছু কর্মকর্তা তাকে শারীরিকভাবেও নির্যাতন করেন। গুরুতর অসুস্থ হয়ে চিকিৎসার জন্য পাড়ি জমান যুক্তরাজ্যে, যা পরবর্তী সময়ে দীর্ঘ নির্বাসনে রূপ নেয়।

প্রায় ১৭ বছরের নির্বাসনকালে ডিজিটাল যোগাযোগ ব্যবস্থার মাধ্যমে দলীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে সংযোগ বজায় রাখা, আন্দোলনের দিকনির্দেশনা দেয়া এবং আন্তর্জাতিক পরিসরে বাংলাদেশের সার্বিক পরিস্থিতি তুলে ধরার মাধ্যমে তিনি সক্রিয় রাজনৈতিক ভূমিকা পালন করেন। ২০১৮ সালে খালেদা জিয়া কারাবন্দি হলে তিনি বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। শেখ হাসিনার স্বৈরশাসনের মধ্যে বিএনপি তার নেতৃত্বে ধারাবাহিকভাবে নির্বাচন, ভোটাধিকার ও গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের আন্দোলনে সক্রিয় থাকে।

আওয়ামী লীগ সরকার পতনের পর তার বিরুদ্ধে থাকা সব মামলা ও দণ্ড বাতিল হলে দেশে ফেরার আইনি বাধা কাটে। দীর্ঘ ১৭ বছরের নির্বাসন শেষে গত বছরের ২৫ ডিসেম্বর তিনি স্বদেশ প্রত্যাবর্তন করেন। এদিন বিপুলসংখ্যক বিএনপি নেতাকর্মীসহ লাখো মানুষের অংশগ্রহণে তাকে সংবর্ধনা দেয়া হয়। দেশে ফেরার মাত্র পাঁচদিন পর তার মা সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া মৃত্যুবরণ করেন। এরপর ২০২৬ সালের ৯ জানুয়ারি তারেক রহমান দলের চেয়ারম্যান হন। তার নেতৃত্বে বিএনপি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়ে সরকার গঠন করেছে। গতকাল শপথ নেয়ার মাধ্যমে তিনি দেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নিয়েছেন।

গতকাল পূর্ণ মন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, সালাহউদ্দিন আহমদ, ইকবাল হাসান মাহমুদ (টুকু), মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম, এজেডএম জাহিদ হোসেন, খলিলুর রহমান (টেকনোক্র্যাট), আবদুল আউয়াল মিন্টু, কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসেন কায়কোবাদ, মিজানুর রহমান মিনু, নিতাই রায় চৌধুরী, খন্দকার আবদুল মুক্তাদীর, আরিফুল হক চৌধুরী, জহির উদ্দিন স্বপন, মোহাম্মদ আমিন উর রশীদ (টেকনোক্র্যাট), আফরোজা খানম, শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি, আসাদুল হাবিব দুলু, মো. আসাদুজ্জামান, জাকারিয়া তাহের, দীপেন দেওয়ান, আ ন ম এহছানুল হক মিলন, সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন, ফকির মাহবুব আনাম ও শেখ রবিউল আলম। প্রতিমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত, অনিন্দ্য ইসলাম অমিত, মো. শরিফুল আলম, শামা ওবায়েদ ইসলাম, সুলতান সালাউদ্দিন টুকু, কায়সার কামাল, ফরহাদ হোসেন আজাদ, আমিনুল হক (টেকনোক্র্যাট), মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন, হাবিবুর রশীদ, মো. রাজিব আহসান, মো. আব্দুল বারী, মীর শাহে আলম, জোনায়েদ আব্দুর রহিম সাকি, ইশরাক হোসেন, ফারজানা শারমিন, শেখ ফরিদুল ইসলাম, নুরুল হক নুর, ইয়াসের খান চৌধুরী, এম ইকবাল হোসেইন, এমএ মুহিত, আহম্মদ সোহেল মঞ্জুর, ববি হাজ্জাজ ও আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়াম।

এছাড়া গতকাল মন্ত্রিপরিষদ সচিবালয়ের এক প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়, মন্ত্রীর পদমর্যাদায় প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা হয়েছেন মির্জা আব্বাস উদ্দিন আহমেদ, নজরুল ইসলাম খান, রুহুল কবির রিজভী আহমেদ, মো. ইসমাইল জবিউল্লাহ ও ড. রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর। প্রতিমন্ত্রীর পদমর্যাদায় উপদেষ্টা হয়েছেন হুমায়ুন কবির, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) শামসুল ইসলাম, ডা. জাহেদ উর রহমান, ড. মাহ্দী আমিন ও রেহান আসিফ আসাদ।