কুমিল্লা নগরের বিষ্ণুপুর মুন্সেফ কোয়ার্টার এলাকায় চালু হয়েছে ১০০ শয্যাবিশিষ্ট খায়রুন্নেসা-ইব্রাহিম জেনারেল হাসপাতাল। বিশেষায়িত এ হাসপাতালে উন্নতমানের স্বাস্থ্যসেবা পাবেন ডায়াবেটিস রোগীরা। পাশাপাশি সব রোগের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসা ও অত্যাধুনিক ডায়াগনস্টিক সেবাও মিলবে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা।

গতকাল সকালে হাসপাতালটির আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম উদ্বোধন করেন অর্ন্তবর্তী সরকারের মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয় এবং সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা শারমীন এস মুরশিদ। ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন তিনি।

উপদেষ্টা শারমীন এস মুরশিদ বলেন, ‘হাসপাতালটি কুমিল্লার স্বাস্থ্যসেবায় নতুন দিগন্ত সৃষ্টি করবে। ঢাকায় গিয়ে নয়, এখন থেকে কম খরচে কুমিল্লাতেই ডায়াবেটিসসহ যেকোনো রোগের উন্নত সেবা পাবেন রোগীরা।’

হাসপাতালটি নির্মাণ করেছে সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সমাজসেবা অধিদপ্তর ও বাংলাদেশ ডায়াবেটিক সমিতি। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অথিতির বক্তব্য দেন সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব মোহাম্মদ আবু ইউসুফ। বাংলাদেশ ডায়াবেটিক সমিতির সভাপতি জাতীয় অধ্যাপক এ কে আজাদ খানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে শুভেচ্ছা বক্তব্য দেন বাংলাদেশ ডায়াবেটিক সমিতির মহাসচিব মোহাম্মদ সাইফ উদ্দিন, ন্যাশনাল হেলথকেয়ার নেটওয়ার্ক (এনএইচএন) বোর্ড অব অ্যাডভাইজার্সের চেয়ারম্যান সৈয়দ রেজওয়ানুল কবির, কুমিল্লার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) এবিএম মশিউজ্জামান, জেলার ডেপুটি সিভিল সার্জন রেজা মো. সারোয়ার আকবর প্রমুখ।

বাংলাদেশ ডায়াবেটিক সমিতির মহাসচিব মোহাম্মদ সাইফ উদ্দিন বলেন, ‘প্রয়াত এটিএম শামসুল হক প্রায় ১৫ বছর আগে এ মূল্যবান জায়গাটি বাংলাদেশ ডায়াবেটিক সমিতিকে দান করে গেছেন। তিনি চেয়েছেন এখানে তার মা খায়রুন্নেসার নামে হাসপাতাল ও মেডিকেল কলেজ এবং স্ত্রী রাবেয়া হকের নামে একটি নার্সিং কলেজ হবে। আজ ১০০ শয্যা হাসপাতাল চালু হয়েছে। ভবিষ্যতে এখানে মেডিকেল কলেজ করার পরিকল্পনা রয়েছে।’